সাবেক মেয়র কাদের মির্জা, স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের তিন মামলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঝিনাইগাতী থানা পুলিশের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শিশুদের নেতৃত্বে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষ রোপন বগুড়ার আদমদীঘিতে ৫ মাদক কারবারির জেল-জরিমানা ব্যতিক্রমী উদ্যোগে শৃঙ্খলা ফিরেছে শ্রীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজে, বেড়েছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ‘ষড়যন্ত্রকারী’ আখ্যার প্রতিবাদে দোহাজারীতে এমপির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন বরিশাল নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারে ১০০টি সরঞ্জাম বিতরণ পাঁচবিবিতে অটোভ্যান চালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার শ্রেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে বিশেষ সম্মাননা পেলেন ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আলম ইউক্রেনকে এখনও গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প নাগেশ্বরীতে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম: বিতর্কিতদের বাদ দিতে ‘তৃণমূল বিএনপি’র ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৪ চিলমারীতে "প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে বসতবাড়িতে, সবজি চাষ বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়ন" প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কুলিয়ারচরে সততা স্টোর উদ্বোধন আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত: শ্রীবরদী উপজেলা কারিতাস সীডস কর্মসূচির সিবিও-নেতৃবৃন্দর সক্রিয় অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত: শেরপুর সদর উপজেলা কারিতাস সীডস কর্মসূচির সংলাপ ফোরামের সক্রিয় অংশগ্রহণ ঝিনাইগাতীর শালচূড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ইউএনও মো. আল-আমীন ঝিনাইগাতীতে অপরিচ্ছন্নতার দায়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আট বছর পর হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন, আসামিদের গ্রেপ্তার, আলামত জব্দ: পুরস্কৃত হলেন সিআইডি পরিদর্শক মোস্তাফিজ তিস্তা প্রকল্পে সহায়তা করতে চায় নেদারল্যান্ডস

বাংলাদেশের ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাবনা গৃহীত হলো জাতিসংঘে

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 04-05-2024 12:35:40 am

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশ উত্থাপিত ‘শান্তির সংস্কৃতি’ শীর্ষক রেজোল্যুশন (প্রস্তাবনা) সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। ১১২টি দেশ এই রেজোল্যুশনটিতে কো-স্পন্সর করেছে।


নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২ মে) জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত বাংলাদেশের পক্ষে এটি উত্থাপন করেন।


শুক্রবার (৩ মে) জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এ তথ্য জানায়।


স্থায়ী মিশন বলছে, চলতি বছর আলোচ্য প্রস্তাবনাটি একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। কেননা এ বছরে শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি ২৫তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় ১৯৯৯ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি গৃহীত হয়।


এরপর থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশ ‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজোল্যুশনটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করে আসছে, যা শান্তি ও অহিংসার সংস্কৃতিকে উন্নীত করার জন্য আটটি বিশেষ ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করে, সে অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সবার প্রতি আহ্বান রয়েছে এতে।


এছাড়া সাধারণ পরিষদের সভাপতির নেতৃত্বে ২০১২ সাল থেকে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘে একটি উচ্চ পর্যায়ের ফোরামের আয়োজন করে আসছে।


প্রস্তাবনাটি উপস্থাপনের সময় রাষ্ট্রদূত মুহিত বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে শান্তির সংস্কৃতির অব্যাহত প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন।


তিনি বলেন, আজ বিশ্ব ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্ব এবং মানবিক মর্যাদা অবজ্ঞার মুখোমুখি। এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও সহিংসতা থেকে উত্তরণে মানবমনে সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার ভাবকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে, সমতা ও সব মানুষের সমমর্যাদার চেতনাকে সমুন্নত করতে হবে এবং সর্বোপরি যুদ্ধের চেয়ে শান্তিকে অনেক বেশি লাভজনক করে তুলতে হবে।


এবারের রেজোল্যুশনে শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচির ২৫তম বার্ষিকী যথাযথভাবে পালন ও উদ্‌যাপনের জন্য সাধারণ পরিষদের সভাপতিকে দিনব্যাপী একটি উচ্চ পর্যায়ের ফোরাম আহ্বান করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।


এছাড়া এ রেজোল্যুশনে সাধারণ পরিষদের সদস্য রাষ্ট্র, জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থা, নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মিডিয়াসহ অন্যান্য অংশীজনদের শিক্ষা ও জনসচেতনতা সম্প্রসারণসহ অন্যান্য আয়োজনের মাধ্যমে যথাযথভাবে এই বার্ষিকীটি পালনের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।


যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞে বাংলাদেশের নিজস্ব অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মুহিত বলেন, জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতির ধারণা প্রবর্তনের বাংলাদেশের উদ্যোগটি আমাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত। বৈষম্য, বর্ণবাদী অসহিষ্ণুতা এবং পরাধীনতা আমাদের একটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করে। এ কারণেই আমরা শান্তির প্রসারকে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির একটি মৌলিক নীতিতে পরিণত করেছি।


রেজোল্যুশনটির বিবেচনার পূর্বে শান্তির সংস্কৃতির ওপর সাধারণ পরিষদে একটি সাধারণ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বহুসংখ্যক সদস্য রাষ্ট্র বক্তব্য দেয়। এ সময় তারা শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি বাস্তবায়নে তাদের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে।


প্রতিনিধি দলগুলো জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতির ধারণাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে ধন্যবাদ জানায়।

আরও খবর






6ac5b73ac7a7e-071026090634.webp
পদার্থে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হেলজেন

৭ দিন ৮ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে