কোটা ইস্যুতে রোববার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি, আশা করি সমাধান আসবে কারফিউয়ের সময়সীমা আরো বাড়ল কারফিউ প্রত্যাহার দাবি বিএনপির, আমির খসরু আটক কোটা আন্দোলনে কারফিউয়ের দিনেও ঢাকাতে ১০ জনের মৃত্যু বাংলাদেশের ছাত্রদের প্রতি সংহতি পশ্চিমবঙ্গে কোটা নিয়ে আপিল শুনানি রোববার চট্টগ্রাম ও রাজশাহী শহরের পরিস্থিতি নরসিংদীর কারাগারে হামলার পর পালিয়েছে আট শতাধিক আসামী শনিবার ঢাকায় কারফিউ-র যে চিত্র দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর দুই বিদেশ সফর বাতিল বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান আটক সরকারের কাছে 'আট দফা দাবি' কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের: ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি চলবে নুরুল হক নুরকে আটক করা হয়েছে নাহিদ ইসলাম এখন কোথায়? হাইকোর্টের রায় বাতিল চাইবে রাষ্ট্রপক্ষ: অ্যাটর্নি জেনারেল শনিবার সহিংসতায় মৃত্যু হয়েছে আরো অন্তত সাত জনের কখন ফিরবে ইন্টারনেট সংযোগ - কেউ জানে না রোববার ও সোমবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা কারফিউ দিনে ঢাকায় যে চিত্র দেখা গেছে সাতক্ষীরায় ছাত্রদল নেতার ইন্ধনে থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা!

সাতক্ষীরা শ্যামনগরে কালমেঘা খালের দুই পাড়ের মানুষের অভিযোগ

সাতক্ষীরা শ্যামনগরে কালমেঘা খালের দুই পাড়ের মানুষের অভিযোগ


  



মোঃ আজগার আলী, সদর উপজেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা: 

সাতক্ষীরার শ্যামনগর কৈল্যানপুর ও কালমেঘা গ্রামের খাল কাটায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সেচ প্রকল্পের অভ্যন্তরস্থ খালগুলোতে পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে পানি উন্নয়ন বোর্ড খাল খনন শুরু করলেও খনন কাজে অনিয়মসহ নানা অভিযোগ উঠে। ভেকু দিয়ে নামকাওয়াস্তে খনন করা, অবাধে গাছ কাটার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের বক্তব্য হচ্ছে, খালের দুই মাথা প্রসস্থ ৬০ ফুট, ১৮ ফুট স্লোপ, ৩০ ফুট নিচের প্রসস্থ, ৮ ফুট গভীর। কিন্তু সেখানে কিছু স্থানে ৭ – ৮ ফুট গভীর হলেও অধিকাংশ স্থানে তিন ফুট করে গভীর করে কাটা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা। এছাড়া খালের দুই পাড়ের রাস্তায় ভেকু মেশিন দিয়ে অপরিকল্পিত ভাবে মাটি ফেলায় শতশত মানুষের চলাচল অসুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। 


এই বিষয়ে উপজেলা ও জেলার সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকা বাসি। তবে কাজের শুরু থেকেই খাল খননে ব্যাপক অনিয়ম করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তারা বলছেন, খাল খননে যে পরিমাণ বরাদ্দ করা হয়েছে তার এক-চতুর্থাংশ টাকাও খরচ হবে না।কৈল্যানপুর গ্রামের মোঃ ইসমাইল হোসেন বলেন, কালমেঘা ও কৈল্যানপুর গ্রামে আমাদের বাড়ির সামনে যে খাল কাটা হচ্ছে। এখানে দুই পাড়ের রাস্তায় মাটি ফেলে দুই মাস যাবত বন্ধ রেখেছে ঠিকাদার। এখানে শতশত মানুষের চলাচলে অসুবিধা হলেও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কোন মাথা ব্যথা নেই। আমরা উপর মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। 


গোবিন্দ চন্দ্র দাস বলেন, আমাদের বাড়ির সামনের খালপাড়ের রাস্তায় মাটি ভরাট করায়, আমরা চলাচল করতে পারছি না, বাজার সহ প্রযোজনীয় কাজ কর্ম বন্ধ রয়েছে। পানিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আনতে ভোগান্তি হচ্ছে। আরও অনেকে বলেন, কাজের মান একেবারেই খারাপ হচ্ছে। কোথাও মাটি কাটা হচ্ছে আবার কোথাও হচ্ছে না। আমরা কিছু বললে আমাদের কথায় গুরুত্ব দিচ্ছে না। যেন দেখার কেউ নেই। এদিকে খাল দ্রুত না কেটে ফেললে কৃষি জমি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আংশকা। কয়েকটি গ্রামের পানি সরে এই খাল দিয়ে।











Tag