রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীতে থেকে ৩ লক্ষ টাকার অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস
রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীতে থেকে ৩ লক্ষ টাকার অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস
রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলায় মৎস্য সম্পদ রক্ষায় "মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০" অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচার কার্যক্রম (Summary Trial) পরিচালিত হয়েছে। মাছের প্রজনন বৃদ্ধি ও দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়ানোর স্বার্থে এ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।
রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী জব্দ করে তা ধ্বংস করেছে প্রশাসন। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
অভিযানে প্রায় ৫০০ মিটার কারেন্ট জাল ও ৩,৫০০ মিটার চায়না দুয়ারীসহ মোট ৪ হাজার মিটার জাল জব্দ করা হয়,যার আনুমানিক দাম ৩ লক্ষ টাকা। যা পরবর্তীতে ৬ নং ফেরী ঘাটে নদীর পাড়েই আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন রাজবাড়ী জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তানজিম তামিম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট, গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ রাকিবুল ইসলাম, দৌলতদিয়া ঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহাসহ পুলিশ বাহিনী, আনছার ব্যাটালিয়নের সদস্যবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট বলেন, "আজকে আমরা সামারী ট্রায়ালের মাধ্যমে এই অভিযান পরিচালনা করি।ইলিশের প্রজনন মৌসুমে পদ্মা নদীতে অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী দিয়ে মাছ শিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ধরনের জাল ব্যবহারের ফলে ছোট মাছ ধরা পড়ে এবং ইলিশের বংশ বিস্তার ব্যাহত হয়। তাই নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে এসব অবৈধ জাল অপসারণ ও ধ্বংস করা হচ্ছে। ইলিশ রক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
প্রশাসনের এমন তৎপরতায় স্থানীয় জনগণ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং মাছের প্রজনন রক্ষায় সকলকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।