গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করা সাবেক ব্র্যাক শিক্ষিকা রুপা রায়ের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুমাইয়া ফেরদৌসের হস্তক্ষেপে অবশেষে একটি নিরাপদ ঘরের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে এই অসহায় নারীর।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে সারিয়াকান্দি পৌর এলাকার হাসপাতালের উত্তর পাশে রুপা রায়ের সেই জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে উপস্থিত হয়ে ঘর নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা তুলে দেন ইউএনও।
জানা যায়, সারিয়াকান্দি পৌর এলাকার কুঠিবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মৃত শ্রী বিকাশ রায়ের স্ত্রী রুপা রায় এক সময় ব্র্যাক স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। শেষ বয়সে এসে তার মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁই ছিল একটি নড়বড়ে ঝুপড়ি ঘর। অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনোমতে জীবিকা নির্বাহ করলেও সম্প্রতি পা ভেঙে যাওয়ায় তিনি শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। বর্তমানে তিনি অসুস্থ অবস্থায় বগুড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার এই মানবেতর জীবনের খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি দ্রুত উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে।
সংবাদটি দেখে ইউএনও সুমাইয়া ফেরদৌস তাৎক্ষণিক সহায়তার উদ্যোগ নেন। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকে রুপা রায়কে ২ বান্ডিল ঢেউটিন, নগদ ৬ হাজার টাকার চেক এবং শুকনো খাবার প্রদান করা হয়। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘরটি দ্রুত নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
সহায়তা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, সারিয়াকান্দি পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতিকুর রহমান এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম।
সহায়তা পেয়ে অশ্রুসিক্ত ও আবেগাপ্লুত রূপা রায়। মাথা গোঁজার স্বপ্ন পূরণে উপজেলা প্রশাসনের মানবিক উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুমাইয়া ফেরদৌস বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদটি দেখার পরই আমরা রুপা রায়ের খোঁজ নেই। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে ঢেউটিন, নগদ টাকা ও শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। পৌর প্রশাসকের মাধ্যমে দ্রুত ঘরটি নির্মাণ করে দেওয়া হবে যেন তিনি একটি নিরাপদ আশ্রয় পান।
২ ঘন্টা ৮ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে