তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভাতা বাড়ানো হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সাব্বির আহমেদ রনিকে চেয়ারম্যান করে BJUS-এর ২২ সদস্যের বোর্ড কমিটি গঠন মিরসরাইয়ে হাইতকান্দি ইউপিতে জামায়াতের চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থী ঘোষণা চিলাহাটির পূজামণ্ডপে অনুদান বিতরণ ডোমারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আনসার কম্যান্ড্যান্ট নাঙ্গলকোটের ৬নং মক্রমপুরে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইফুল মালেক শিপন নন্দীগ্রামে ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ কারবারি হোসেন আলী আবারও গ্রেফতার মিরসরাইয়ে ১৩তম বিজলী শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি পেল ৭৭ শিক্ষার্থী উৎসবমুখর পরিবেশে হাতিয়ায় ফারিয়ার নির্বাচন অনুষ্ঠিত বরিশালের দক্ষিণ চকবাজার ও ফজলুল হক এভিনিউয়ে বিসিসির মোবাইল কোর্ট অভিযান সাংবাদিক আলিফ হত্যা: বিচার ও নিরাপত্তার দাবিতে চৌদ্দগ্রামে মানববন্ধন আজ প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন পীরগাছায় নেকমামুদ আপডেট পাবলিক স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা জাতীয় নেতা আব্দুল মালেক উকিলের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ তবকপুর বাজার আলোকিত শিশু কন্ঠ পরিষদের উদ্যোগে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত উলিপুরে কিশোরপুর ওসমানী বেইজ একাডেমির উদ্যোগের মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত দুর্গোৎসব: পূজার আড়ালে যে মানবতার পাঠ জয়পুরহাটে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসআরবি-৫ অধিনায়ক, নিরাপত্তায় বিশেষ নজর দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী আজ

লোহাগাড়া সুখছড়িতে বড় মৌলানা সাহেবের ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় মেলা অনুষ্ঠিত।



মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম।


চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার সুখছড়ি এলাকায় যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসবমুখর পরিবেশ ও মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে বড় মৌলানা সাহেবের ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় মেলা। যুগ যুগ ধরে চলে আসা এ আয়োজন শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতাই নয়, বরং গ্রামবাংলার লোকজ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সামাজিক সম্প্রীতির এক জীবন্ত প্রকাশ।


গত ৩১ জানুয়ারি শনিবার ও ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার—দুই দিনব্যাপী সুখছড়ি এলাকায় মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। পরে সোমবার লোহাগাড়া সদরের ঐতিহ্যবাহী দরবেশ হাট বাজারেও পুনরায় এই মেলার আয়োজন করা হয়, যেখানে বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।


মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত অভিজ্ঞ ও দক্ষ ঘোড়সওয়াররা অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতামূলক ঘোড়দৌড় উপভোগ করতে সকাল থেকেই মাঠে ভিড় জমাতে থাকেন হাজারো দর্শক। ঘোড়ার ক্ষুরের শব্দ, দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসে পুরো মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় প্রাণবন্ত ও রোমাঞ্চকর পরিবেশ। শিশু-কিশোর, নারী-পুরুষ ও বৃদ্ধ—সব বয়সী মানুষের অংশগ্রহণে মেলাটি পরিণত হয় এক সর্বজনীন উৎসবে।


আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বহু বছর ধরে চলে আসা এই ঐতিহ্যবাহী মেলা স্থানীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। আধুনিকতার প্রভাবে গ্রামীণ লোকজ খেলাধুলা ও ঐতিহ্যবাহী আয়োজন ক্রমশ বিলুপ্তির পথে গেলেও এ ধরনের উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের মাঝে ঐতিহ্যের চর্চা ও আগ্রহ জাগ্রত করছে।


ঘোড়দৌড়ের পাশাপাশি মেলায় বসে হরেক রকম দোকানপাট। শিশু-কিশোরদের খেলনার দোকান, বাহারি খাবারের স্টল, হাতের তৈরি নাস্তা, পোড়া আলু, হরেক রকম বড়ই, ফুসকা, চটপটি ও মিষ্টান্নের দোকান দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ সৃষ্টি করে। এছাড়াও হাড়ি-পাতিল, মাটির তৈরি জিনিসপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকান মেলার ঐতিহ্যবাহী রূপকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।


মেলায় আসা দর্শনার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। পরিবার-পরিজন নিয়ে একসঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির আবহ সৃষ্টি হয়।


স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী এই আয়োজনকে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতি সংরক্ষণের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী মেলা নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হবে।

আরও খবর