তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভাতা বাড়ানো হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সাব্বির আহমেদ রনিকে চেয়ারম্যান করে BJUS-এর ২২ সদস্যের বোর্ড কমিটি গঠন মিরসরাইয়ে হাইতকান্দি ইউপিতে জামায়াতের চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থী ঘোষণা চিলাহাটির পূজামণ্ডপে অনুদান বিতরণ ডোমারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আনসার কম্যান্ড্যান্ট নাঙ্গলকোটের ৬নং মক্রমপুরে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইফুল মালেক শিপন নন্দীগ্রামে ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ কারবারি হোসেন আলী আবারও গ্রেফতার মিরসরাইয়ে ১৩তম বিজলী শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি পেল ৭৭ শিক্ষার্থী উৎসবমুখর পরিবেশে হাতিয়ায় ফারিয়ার নির্বাচন অনুষ্ঠিত বরিশালের দক্ষিণ চকবাজার ও ফজলুল হক এভিনিউয়ে বিসিসির মোবাইল কোর্ট অভিযান সাংবাদিক আলিফ হত্যা: বিচার ও নিরাপত্তার দাবিতে চৌদ্দগ্রামে মানববন্ধন আজ প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন পীরগাছায় নেকমামুদ আপডেট পাবলিক স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা জাতীয় নেতা আব্দুল মালেক উকিলের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ তবকপুর বাজার আলোকিত শিশু কন্ঠ পরিষদের উদ্যোগে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত উলিপুরে কিশোরপুর ওসমানী বেইজ একাডেমির উদ্যোগের মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত দুর্গোৎসব: পূজার আড়ালে যে মানবতার পাঠ জয়পুরহাটে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসআরবি-৫ অধিনায়ক, নিরাপত্তায় বিশেষ নজর দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী আজ

শিশুদের মোবাইল ফোন আসক্তি: পড়াশোনায় অমনোযোগের নীরব সংকট

মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম 

বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। মোবাইল ফোন আমাদের জীবনকে সহজ ও গতিশীল করেছে। তবে এই প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ফোনের প্রতি আসক্তি, একটি উদ্বেগজনক সামাজিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। এর ফলে অনেক শিশু পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে এবং অমনোযোগী হয়ে উঠছে।

একসময় শিশুদের অবসর সময় কাটত খেলাধুলা, বই পড়া কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশার মাধ্যমে। এখন সেই জায়গা দখল করে নিয়েছে স্মার্টফোন। অনলাইন গেম, ভিডিও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক অ্যাপ শিশুদের দীর্ঘ সময় ধরে পর্দার সামনে আটকে রাখছে। ফলে তারা পড়ার টেবিলে বসলেও মনোযোগ ধরে রাখতে পারছে না।

মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শুধু শিক্ষাজীবনেই নয়, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ব্যবহারের কারণে চোখের সমস্যা, ঘুমের ব্যাঘাত, মাথাব্যথা এবং একাকীত্বের প্রবণতা বাড়ছে। একই সঙ্গে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগের ক্ষমতাও কমে যাচ্ছে, যা শিক্ষার জন্য বড় বাধা।

এই সমস্যা সমাধানে পরিবারকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। অভিভাবকদের উচিত শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করে দেওয়া এবং তাদের খেলাধুলা, বই পড়া ও সৃজনশীল কাজে উৎসাহিত করা। পাশাপাশি বিদ্যালয় ও সমাজকেও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এগিয়ে আসতে হবে।

প্রযুক্তি আমাদের প্রয়োজন, কিন্তু প্রযুক্তির অপব্যবহার নয়। শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে হলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে সংযম এবং সঠিক দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় একটি মনোযোগী ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তোলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

Tag
আরও খবর