সাইকেল-স্কুটি থেকে সজ্জিত প্রাইভেট কারে বিদায়, আবেগে ভাসলেন শিক্ষক আলাউল কবির রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিস আত্মসাতকৃত ১২ লাখ টাকা কোষাগারে জমা চিলমারীতে "প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থিক সাক্ষরতা বিষয়ক সক্ষমতা বৃদ্ধি উপর" প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে সম্প্রীতির বার্তা, সহায়তার হাত—সারিয়াকান্দিতে কাজী রফিকুল ইসলাম শিক্ষকদের বেতন নিয়ে নতুন নির্দেশনা মাউশির প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অক্টোবরের ১৪ দিনে রেমিট্যান্স ১৫১ কোটি ডলার ২০ অক্টোবর জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালীতে চার হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার পত্নীতলায় বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত ২০২৬ জাবিপ্রবিতে আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন নিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা চৌমুহনী মদনমোহন উচ্চ বিদ্যালয় বিদায় সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ মিরসরাইয়ে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ও ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন চৌমুহনীর কলেজ রোডে দুই দিনের নবজাত কন্যা জীবিত উদ্ধার লাখাইয়ে শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। দিনাজপুরে দূর্গা মন্দির পরিদর্শনে সেক্টর কমান্ডার , কঠোর নিরাপত্তায় বিজিবি আশাশুনিতে মৎস্যজীবী লীগ নেতা গ্রেপ্তার পীরগাছায় জমি নিয়ে বিরোধে বসতঘরে আগুন, গবাদিপশু ও টাকা লুটের অভিযোগ আক্কেলপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসার-ভিডিপি সদস্যদের ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত সিংড়ায় ৫ টি বক অবমুক্ত করলো ইউএনও

আদমদীঘিতে নাগর নদীতে বাঁধ দিয়ে নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকার

ছবি সংগৃহীত।

বগুড়ার আদমদীঘিতে নাগর নদীতে বাঁশের বেড়া দিয়ে বাঁধ তৈরি করে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকারের অভিযোগ উঠেছে। এতে নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। দ্রুত এ অবৈধ মাছ শিকার বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সরেজমিনে দেখা যায়, আদমদীঘি উপজেলার কুন্দগ্রাম ও চাঁপাপুর ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নাগর নদীর কয়েকটি স্থানে বাঁশ দিয়ে বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। এসব বাঁধের কারণে নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে নষ্ট হচ্ছে মাছের প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতে বাঁশের বেড়া বা বানা দিয়ে পানিপ্রবাহ আটকে চায়না দুয়ারি জাল, সুতিজাল, কারেন্ট জালসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে প্রতিদিন মাছ শিকার করা হচ্ছে। এসব জালে রেনু পোনা থেকে শুরু করে ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আটকা পড়ছে। ফলে একদিকে যেমন প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে নদীর জলজ জীববৈচিত্র্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, কিছু অসাধু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন। এতে মাছের স্বাভাবিক চলাচল ও প্রজনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে রেনু পোনা নিধনের কারণে ভবিষ্যতে নদীতে দেশীয় মাছের সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। মাছ শিকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে আদমদীঘি উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নাহিদ হোসেন বলেন, নদীর মুক্ত পানিপ্রবাহ বন্ধ করা এবং নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করা বেআইনি। মাছ শিকারীদের মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। এরপরও তারা বাঁধ ও নিষিদ্ধ জাল অপসারণ না করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু সতর্ক করলেই হবে না; নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত বাঁধ অপসারণ এবং নিষিদ্ধ জাল জব্দ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

Tag
আরও খবর