তালাক বন্ধ করেছে ফ্যামিলি কার্ড: চিফ হুইপ বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভাতা বাড়ানো হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সাব্বির আহমেদ রনিকে চেয়ারম্যান করে BJUS-এর ২২ সদস্যের বোর্ড কমিটি গঠন মিরসরাইয়ে হাইতকান্দি ইউপিতে জামায়াতের চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থী ঘোষণা চিলাহাটির পূজামণ্ডপে অনুদান বিতরণ ডোমারে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আনসার কম্যান্ড্যান্ট নাঙ্গলকোটের ৬নং মক্রমপুরে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাইফুল মালেক শিপন নন্দীগ্রামে ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ কারবারি হোসেন আলী আবারও গ্রেফতার মিরসরাইয়ে ১৩তম বিজলী শিক্ষোন্নয়ন বৃত্তি পেল ৭৭ শিক্ষার্থী উৎসবমুখর পরিবেশে হাতিয়ায় ফারিয়ার নির্বাচন অনুষ্ঠিত বরিশালের দক্ষিণ চকবাজার ও ফজলুল হক এভিনিউয়ে বিসিসির মোবাইল কোর্ট অভিযান সাংবাদিক আলিফ হত্যা: বিচার ও নিরাপত্তার দাবিতে চৌদ্দগ্রামে মানববন্ধন আজ প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন পীরগাছায় নেকমামুদ আপডেট পাবলিক স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা জাতীয় নেতা আব্দুল মালেক উকিলের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ তবকপুর বাজার আলোকিত শিশু কন্ঠ পরিষদের উদ্যোগে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত উলিপুরে কিশোরপুর ওসমানী বেইজ একাডেমির উদ্যোগের মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত দুর্গোৎসব: পূজার আড়ালে যে মানবতার পাঠ জয়পুরহাটে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসআরবি-৫ অধিনায়ক, নিরাপত্তায় বিশেষ নজর দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী আজ

ফুটফুটে শিশুটিকে বাঁচাতে বাড়িয়ে দিন সহায়তার হাত, ওয়াফির হৃদয়ে ছিদ্র

মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম 

যে বয়সে মায়ের কোলে হেসে খেলে বেড়ানোর কথা, যে বয়সে বাবার আঙুল ধরে পৃথিবীটাকে চিনতে শেখার কথা, সেই বয়সেই হৃদরোগের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি ছোট্ট শিশু জান্নাতুল ফেরদৌস ওয়াফি। মাত্র দুই বছর দুই মাস বয়সী এই শিশুটির হৃদ্‌যন্ত্রে জন্মের পর থেকেই ছিদ্র ধরা পড়ে। এখন তাকে বাঁচিয়ে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। কিন্তু অসহায় বাবা খানে আলমের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না।

শিশু ওয়াফি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা খানে আলম প্রকাশ মনুর সন্তান। সন্তানের জন্মের পর হৃদ্‌যন্ত্রে ছিদ্রের বিষয়টি ধরা পড়লে বাবা খানে আলম সাধ্যমতো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করিয়েও চিকিৎসা করান। মেয়েকে সুস্থ করে তোলার আশায় ইতোমধ্যে ব্যয় করেছেন অনেক টাকা। কিন্তু এখনো শেষ হয়নি চিকিৎসার লড়াই।

শিশুটির বাবার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ওয়াফির হৃদ্‌যন্ত্রে অস্ত্রোপচার করাতে হবে। এ জন্য আনুমানিক ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু স্বল্প বেতনে টেইলার্সের দোকানে সেলাইয়ের কাজ করে যে সামান্য আয় করেন, তা দিয়ে কোনোমতে সংসার চলে। এত বড় অঙ্কের টাকা জোগাড় করার সামর্থ্য তার  নেই।

একদিকে সন্তানের চিকিৎসার দুশ্চিন্তা, অন্যদিকে অর্থের অসহায়তা সব মিলিয়ে দিশেহারা এই বাবা। যে সন্তানকে ঘিরে তার বুকভরা স্বপ্ন, সেই সন্তানকে সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে দেখার আকাঙ্ক্ষা আজ আর্থিক সংকটের কাছে যেন অসহায় হয়ে পড়েছে।

তবু আশার আলো নিভে যায়নি। সমাজের বিত্তবান, মানবিক মানুষ, প্রবাসী ভাইবোনসহ দেশ-বিদেশে বসবাসকারী সবার আন্তরিক সহযোগিতায় হয়তো ওয়াফির চিকিৎসার অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হবে। সম্মিলিত সহযোগিতায় ছোট্ট শিশুটি ফিরে পেতে পারে সুস্থ ও সুন্দর জীবন। আবারও বাবা-মায়ের বুকে হাসিমুখে বেড়ে ওঠার সুযোগ পেতে পারে সে।

আসুন, মানবতার টানে ওয়াফির পাশে দাঁড়াই। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সামান্য সহযোগিতাও হতে পারে শিশুটির চিকিৎসার পথে বড় সহায়তা। আজকের আপনার সহযোগিতা হয়তো একটি শিশুর জীবন বাঁচানোর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে, একটি পরিবারের মুখে ফিরিয়ে আনতে পারে স্বস্তির হাসি।

শিশু ওয়াফির চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতা করতে তার বাবা খানে আলমের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

যোগাযোগ: খানে আলম

মোবাইল নম্বর: ০১৮১৯-৩৩১২৪০

মানবিক মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতায় সুস্থ হয়ে উঠুক ছোট্ট ওয়াফি আবারও বাবা-মায়ের বুকে ফিরে আসুক তার নির্মল হাসি।


Tag
আরও খবর