বাঁধনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পবিপ্রবির বরিশাল ক্যাম্পাসে বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপিং নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন, সংস্কার হচ্ছে রেলপথ জাবিপ্রবির জিওলজি বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান ওয়াহিদা আক্তার: বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম নারী চেয়ারম্যান লাঙ্গলবাঁধ বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এমপি মনোয়ার খানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ফেরার কোনো সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউপির প্রয়াত চেয়ারম্যান মঞ্জিলের স্মরণে সভা অনুষ্ঠিত বড়তাকিয়া বাজারে যাত্রা শুরু করছে ‘সাদা কালো বেকার্স’, মিলবে ৫০ ধরনের মিষ্টি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ দ্বিতীয় জানাজা শেষে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সম্মানিত পীর আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ নাছেরুল হক চিশতি। মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের সংযুক্ত আরব আমিরাত শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন, আহবায়ক নুর উদ্দিন; সদস্য সচিব নুরের নবী চৌধুরী মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঝিনাইগাতীতে মসজিদ কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে প্রাণ গেল বিএনপি নেতা সালেহ আহমেদের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয় ঐক্য গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইসলামপুরে মসজিদে ইউপি নির্বাচনে ভোট চায়লেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রতন হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ তিনজন লক্ষ্মীপুর থেকে গ্রেফতার মোংলা বন্দর ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে গড়ে উঠবে নতুন অর্থনৈতিক হাব: নৌপরিবহনমন্ত্রী কালিগঞ্জে মসজিদের জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ, পাঁচ মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন জাবিপ্রবিতে ৫ নিয়োগ, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন পবিপ্রবি ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের উদ্যোগে মাধবপাশায় বিনামূল্যে ভেটেরিনারি ক্যাম্প ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নিষিদ্ধ পলিথিনে সয়লাব চৌমুহনী, প্রশাসনের না-ই নজরদারি

নিষিদ্ধ পলিথিনে সয়লাব চৌমুহনী,









নিষিদ্ধ পলিথিনে সয়লাব চৌমুহনী, প্রশাসনের না-ই নজরদারি                   


নোয়াখালী জেলার বানিজ্যিক শহর নামে পরিচিত চৌমুহনীতে অবৈধ ও নিষিদ্ধ পলিথিন কারখানায় ছেয়ে গেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই, নেই কোনো অনুমোদন তাহলে প্রশাসনের নাকের ডগায় কিভাবে চলছে নিষিদ্ধ পলিথিন কারখানা এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এছাড়াও চৌমুহনীসহ বিভিন্ন স্থানে গোপনে গড়ে তোলা হয়েছে নিষিদ্ধ পলিথিনের কারখানা। এসব কারখানা থেকে বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে নিষিদ্ধ পলিথিন।চৌমুহনী থেকে বিভিন্ন জেলা, উপজেলা,ইউনিয়ন ও কাঁচাবাজারে। এমন এলাকা পাওয়া দুষ্কর যেখানে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার নেই। এর ব্যবহার চলছে দেদারছে। শহর কিংবা গ্রামের মধ্যে কোনো তফাত নেই, সব জায়গায় ক্রেতারা বাজার করতে যায় খালি হাতে।আর ফিরে আসে পলিথিনের ব্যাগভর্তি বাজার নিয়ে। অনেক অসাধু ব্যবসায়ী গোপনে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন ও বাজারজাত করছেন। তবে নিয়মিত অভিযান না থাকায় পলিথিনের বিক্রি ও ব্যবহার আগের তুলনায় অনেকাংশে বেড়ে গেছে। ফলে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাড়ছে।


চৌমুহনীতে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, অভিজাত রেস্টুরেন্ট, মুদি দোকান, কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে ফুটপাতের প্রায় সব দোকানের পণ্য বহনে ব্যবহৃত হচ্ছে পলিথিন ব্যাগ। সহজলভ্য ও ব্যবহারে সুবিধা থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই ক্ষতির দিক বিবেচনা না করে পলিথিন ব্যাগ দেদারছে ব্যবহার করছেন।




তবে পরিবেশবিদরা বলছেন, নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহারে শাস্তির বিধান রেখে আইন করা হলেও কমেনি পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার। পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহারে পরিবেশের ক্ষতির কথা চিন্তা করে ২০০২ সালে পলিথিন নিষিদ্ধ করা হয়। তখন বিকল্প হিসেবে কাগজ ও পাটের ব্যাগের প্রচলন শুরু হয়।পরবর্তী সময়ে আইনের প্রয়োগ না থাকায় পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহার বেড়েছে জ্যামিতিকহারে।পলিথিন ব্যাগ বন্ধের আইন ও বিধিমালা রয়েছে।যারা এটা কার্যকর করবে তারা এটা করছে না। পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান না চলার কারণে প্রকাশ্যে ব্যবহার হচ্ছে পলিথিন।


জানা যায়, গেলো বছর ২০২২ সালের ১৬ মার্চে চৌমুহনী দক্ষিণ বাজারের একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ পলিথিন কারখানাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছিলো বেগমগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান চৌধুরী।পরের মাসে (২৫ এপ্রিল) সোমবারে বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামসুন্নাহার চৌমুহনী বিসিকে নিষিদ্ধ পলিথিন তৈরির করার অভিযোগে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে এসপি প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং কারখানাকে ১ লাখ টাকা, ভাই ভাই প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংকে ১ লাখ ও আল মদিনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং কারখানাকে ৫০ হাজার টাকাসহ মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করে।কিন্তু অভিযান পরবর্তী কারখানাগুলো ফের নিষিদ্ধ পলিথিন তৈরি করছে প্রশাসনের নাগের ডগায়।


অনুসন্ধানে জানা যায়, চৌমুহনী শ্রী শ্রী রামঠাকুর মন্দির গেটের পূর্ব গলিতে একটি পলিথিন কারখানা রয়েছে।চলে নিষিদ্ধ পলিথিন তৈরি। নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও অনুমতি।কারখানার মালিক জানায় প্রশাসন অভিযান দিয়ে জরিমানা করে টাকা নিয়ে যায়। গোপনে পলিথিন তৈরি করে তারা।সব জায়গায় তৈরি হলে এখানে উৎপাদন হতে সমস্যা নেই তার। এসব নিউজ করে কোনো লাভ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এক পর্যায়ে সবার সাথে যোগাযোগ আছে বলেও জানান তিনি। অপরদিকে চৌরাস্তা বিসিক নগরীর ভিতরে কয়েকটি নিষিদ্ধ পলিথিন কারখানা রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ গোলাবাড়িয়াও কয়েকটি নিষিদ্ধ পলিথিন কারখানা রয়েছে। সিলগালা না করায় অভিযানের পর ফের চালু করে পলিথিন তৈরি করে এসব কারখানা। অনেকের মতে প্রভাবশালী ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই নাকি চলে এসব কারখানা।


এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের নোয়াখালী জেলার সহ-পরিচালক তানজিল তারেক বলেন, নিষিদ্ধ পলিথিন কারখানাগুলোতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মূল ব্যবসায়ীরা কৌশল পাল্টিয়ে ভ্রাম্যমাণভাবে পলিথিন উৎপাদন করছে। আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। নিষিদ্ধ পলিথিন কারখানাগুলোতে মোবাইল কোর্ট করে জরিমানা করা হয়েছে। অনেক কারখানা সিলগালাও করা হয়েছে।


এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান  বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অনেক কারখানার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চৌমুহনীসহ অন্যান্য জায়গায় নিষিদ্ধ পলিথিন কারখানায় অভিযান করা হয়েছে। অনেক কারখানা বন্ধ করা হয়েছে।

আরও খবর







6aee49fddeb18-071126034325.webp
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

১০ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে