সারাদেশব্যপী ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিং এ ফিরেছে মানুষের আস্থা, কমেছে দুর্ভোগ সাধারণ মানুষের হয়রানি না থাকায় ব্যাংক এশিয়া এখন সবার পছন্দ, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মন জয় করেই চলেছে। যেমন কিছুদিন পুর্বেও বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল থেকে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে জেলা শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে ব্যাংকিং সেবা নিতে হতো, এখন সেই ব্যাংকিং সেবা মানুষের দোরগোড়ায়। তেমনি সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের বয়স্ক, প্রতিবন্ধী  ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা এখন তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নেই রয়েছে ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিং কিন্তু সার্ভিসের দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন সলুকাবাদ ইউনিয়নের বাঘবেড় বাজারের ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট, শুধু বিশ্বম্ভরপুরেই এগিয়ে নয় পুরো সিলেট বিভাগের মধ্যে রয়েছেন  ২য় স্থানে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা সদরে ব্যাংক এশিয়ার কোনো আউটলেট না তাকায় সেই অঞ্চলের মানুষ ব্যাংক এশিয়ার সার্ভিস পেতে অনেক দূর আসতে হয়, তাদের যেনো দূরে না আসতে হয় এমনকি কোনো ভোগান্তিতে যেনো না পরতে হয় সেই লক্ষ্যে ব্যাংক এশিয়ার ডিএম,  ইউএনও মহোদয়ের সাথে কথা বলেন। উপজেলা সদরে যেনো একটি আউটলেট দেওয়ার সুযোগ করে দেন এবং ইউএনও মহোদয় সম্মতি দিলেন।  এখন বিশ্বম্ভরপুর সদরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (মোঃ সাদিউর রহিম জাদিদ) স্যার  ও সুনামগঞ্জ জেলার ব্যাংক এশিয়ার ডিএম মোঃ আরিফুল ইসলামের সহযোগিতায় ব্যাংক এশিয়ার আরেকটি শাখা খুব শীঘ্রই উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন।  যার ফলে মানুষের হাতের নাগালেই ব্যাংক এশিয়া, যেমন ব্যাংক এশিয়া প্রথমে ছিলো জেলায় তারপর ইউনিয়নে এখন উপজেলায় অর্থাৎ যখন যেখানে যাবেন সেখানেই ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট এবং আউটলেট পাওয়া যাচ্ছে, যার ফলে মানুষের ভোগান্তি একেবারেই নাই বললেই চলে। সলুকাবাদ ইউনিয়ন  বাঘবেড় বাজারের ব্যাংক এশিয়ার প্রতিনিধি  আল-আমীন এবং সহকারী মুজাহিদের পরিশ্রমের ফলে আজকে এতদূর এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে, প্রায় সময় দেখা যায় আল-আমীন এবং মুজাহিদ লেপটপ নিয়ে অসুস্থ মানুষের বাড়িতে গিয়ে তাদের সেবা দিয়ে আসছে। এবিষয়ে আল-আমীন বলেন অনেক ভাতাভোগী আছেন যারা অসুস্থতার কারণে তাদের কাংখিত সেবা টি ব্যাংকে এসে নিতে পারছেন না সে ক্ষেত্রে আমরা তাদের বাসায় গিয়ে দিয়ে আসছি।

অনেক সময় দেখা যায় কিছু কিছু গ্রাহক খুশিতে চোখে পানি চলে আসে, বলে আগে ব্যাংকে লাইন দরে সকাল দুপুর অপেক্ষার পর টাকা নিয়ে আসতাম,

এখন আমরা ব্যাংক এশিয়ার মাধ্যমে বাড়ি থেকেই সেবা পাচ্ছি।

 এবিষয়ে আল-আমীন বলেন আমরা এই সেবা টি তাদের দোরগোড়ায় দিতে পেরে অদৃশ্য একটা শান্তি উপলব্ধি করি। 

 আল-আমীন আরও বলেন ততকালীন সময়ে ব্যাংক এশিয়ার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রসেনজিৎ ঘোষ এবং বর্তমানে সুনামগঞ্জ জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত আরিফুল ইসলাম ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ইউএনও স্যারের সহযোগিতায় বিশ্বম্ভপুরবাসীর হাওরাঞ্চলের মানুষ গুলোযেন আরও দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পেতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024