জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় প্রেমের টানে আমেরিকা প্রবাসীর শিশু কন্যাকে নিয়ে  পালিয়েছে মো. পূর্ণ ওরফে বাবু (২০) নামে এক যুবক। তিনি পার্শ্ববর্তী দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দিঘলকান্দী গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। কিন্তু এ ঘটনায় প্রবাসীর পক্ষে অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জেলহাজত বাস করছেন ওই যুবকের মা। এছাড়া মামলায় আসামি করায় আত্মগোপনে রয়েছেন তার বড় প্রবাসীর শিশু কন্যা নিয়ে পালিয়েছে ছেলে, মা জেলহাজতে, বোন আত্মগোপনে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় প্রেমের টানে আমেরিকা প্রবাসীর শিশু কন্যাকে নিয়ে পালিয়েছে মো. পূর্ণ ওরফে বাবু (২০) নামে এক যুবক। তিনি পার্শ্ববর্তী দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দিঘলকান্দী গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। কিন্তু এ ঘটনায় প্রবাসীর পক্ষে অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জেলহাজত বাস করছেন ওই যুবকের মা। এছাড়া মামলায় আসামি করায় আত্মগোপনে রয়েছেন তার বড় বোন। সোমবার (৩ জুলাই) বিকালে ইসলামপুর থানা পুলিশ শিশু কন্যা অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাবুর মা মোছা. ওরফা বেগম (৫০)-কে জামালপুরের আদালতে হাজির করলে সংশ্লিষ্ট বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। রোববার (২ জুলাই) রাতে আমেরিকান ওই ভুক্তভোগী প্রবাসীর পক্ষে তাঁর ছোট ভাই বাদি হয়ে শিশু কন্যা অপহরণের অভিযোগে ইসলামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। রাতেই অভিযান চালিয়ে বাবুর মা মামলার ২ নম্বর আসামি মোছা. ওরফা বেগমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। মামলায় ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে বাবুর বড় বোন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক মুনমুন আক্তারকে এবং প্রধান আসামি করা হয়েছে বাবুকে। মামলা সূত্রে জানা যায়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসলামপুর উপজেলার একব্যক্তি সপরিবারে দীর্ঘদিন থেকে আমেরিকায় বসবাস করে আসছেন। তাঁর ১৩ বছর বয়সী এক কন্যার সঙ্গে যুব মহিলা লীগের নেত্রী মোছা. মুনমুন আক্তারের ভাই মো. পূর্ণ ওরফে বাবু মোবাইল ফোনে কথাবার্তা বলে এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। গত ১৮ জুন আমেরিকান ওই প্রবাসী সপরিবারে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ইসলামপুরের গ্রামের বাড়িতে বেড়াইতে আসেন। ৩০ জুন সন্ধ্যায় বাড়ির সামনে সড়কে প্রবাসীর ওই শিশু কন্যা হাঁটাচলার সময় মুনমুন আক্তার এবং উরফা বেগমের কুপরামর্শে বাবু বিয়ে করা কথা বলে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে অপহরণ করে নিয়ে চলে যায়। মামলা তদন্ত কর্মকর্তা ইসলামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. তাজুল ইসলাম বলেন, 'মামলার ২ নম্বর আসামি মোছা. উরফা বেগমকে সোমবার দুপুরে জামালপুরের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করলে সংশ্লিষ্ট বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে জেলজাহতে প্রেরণের আদেশ দেন। অপহৃত শিশু কন্যাকে উদ্ধার করাসহ বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান বলেন, 'অপহরণের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। মামলার তদন্ত স্বার্থে এখনই সবকিছু বলা যাচ্ছে না।' দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক মুনমুন আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে একাধিকবার কল দিলেও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাঁর কোনো মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাসরিন আক্তার বলেন, 'আমি ঢাকায় চিকিৎসাধীন। তবে আমেরিকান এক প্রবাসীর শিশু কন্যা অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের বিষয়টি জানতে পেরেছি।'বোন।


সোমবার (৩ জুলাই) বিকালে ইসলামপুর থানা পুলিশ শিশু কন্যা অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাবুর মা মোছা. ওরফা বেগম (৫০)-কে জামালপুরের আদালতে হাজির করলে সংশ্লিষ্ট বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। রোববার (২ জুলাই) রাতে আমেরিকান ওই ভুক্তভোগী প্রবাসীর পক্ষে তাঁর ছোট ভাই বাদি হয়ে শিশু কন্যা অপহরণের অভিযোগে ইসলামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। রাতেই অভিযান চালিয়ে বাবুর মা মামলার ২ নম্বর আসামি মোছা. ওরফা বেগমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। মামলায় ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে  বাবুর বড় বোন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক মুনমুন আক্তারকে এবং প্রধান আসামি করা হয়েছে বাবুকে।


মামলা সূত্রে জানা যায়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসলামপুর উপজেলার একব্যক্তি সপরিবারে দীর্ঘদিন থেকে আমেরিকায় বসবাস করে আসছেন। তাঁর ১৩ বছর বয়সী এক কন্যার সঙ্গে যুব মহিলা লীগের নেত্রী মোছা. মুনমুন আক্তারের ভাই মো. পূর্ণ ওরফে বাবু মোবাইল ফোনে কথাবার্তা বলে এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। গত ১৮ জুন আমেরিকান ওই প্রবাসী সপরিবারে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ইসলামপুরের গ্রামের বাড়িতে বেড়াইতে আসেন। ৩০ জুন সন্ধ্যায় বাড়ির সামনে সড়কে প্রবাসীর ওই শিশু কন্যা হাঁটাচলার সময় মুনমুন আক্তার এবং উরফা বেগমের কুপরামর্শে বাবু বিয়ে করা কথা বলে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে অপহরণ করে নিয়ে চলে যায়। মামলা তদন্ত কর্মকর্তা ইসলামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. তাজুল ইসলাম বলেন, 'মামলার ২ নম্বর আসামি মোছা. উরফা বেগমকে সোমবার দুপুরে জামালপুরের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করলে সংশ্লিষ্ট বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে জেলজাহতে প্রেরণের আদেশ দেন। অপহৃত শিশু কন্যাকে উদ্ধার করাসহ বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান বলেন, 'অপহরণের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। মামলার তদন্ত স্বার্থে এখনই সবকিছু বলা যাচ্ছে না।' দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক মুনমুন আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে একাধিকবার কল দিলেও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাঁর কোনো মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাসরিন আক্তার বলেন, 'আমি ঢাকায় চিকিৎসাধীন। তবে আমেরিকান এক প্রবাসীর শিশু কন্যা অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের বিষয়টি জানতে পেরেছি।'

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2023