দেশের বিভিন্ন জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইমো একাউন্ট হ্যাকিং ও প্রতারক চক্রের ০৫ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের সাইবার ইউনিট
শনিবার (২৯ জুলাই) সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আসিফ মহিউদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত ২৩ জুলাই এক ভুক্তভোগী নগরীরচকবাজার থানায় হাজির হয়ে এজাহার দায়ের করেন, যাহার মামলা নং-১২, তারিখ-২৩/০৭/২০২৩খ্রিঃ, ধারা-ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন- ২০১৮ এর ২৩(২)/২৪(২)/৩৪(১)/৩৫ , রুজুকৃত মামলার তদন্তভার সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের সাইবার ইউনিটের নিকট ন্যস্ত হয়।
উক্ত মামলার ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইমো একাউন্ট হ্যাকিং ও প্রতারক চক্রের ০৫ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের সাইবার ইউনিট। এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধ কার্যক্রমে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও সিম জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো-পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থানা এলাকার মো. আরিফুল ইসলাম (৩১), মো. শিমুল হোসেন (২২), নাটোর জেলার লালপুর থানা এলাকার মো. সাহাবুল ইসলাম প্রকাশ শাহাবুল (৩৯), মো. ইব্রাহিম হোসেন প্রকাশ বাপ্পী (২১) ও মো. হৃদয় হাসান প্রকাশ শাহীন (২৩)।
সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এসব ব্যক্তিরা ইমো একাউন্ট হ্যাক করে কন্টাক্ট লিস্টে থাকা ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে বিকাশ এবং নগদ একাউন্ট ব্যবহার করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পাবনা থেকে আরিফুলকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যমতে শিমুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর নাটোর থেকে প্রতারক চক্রের সদস্য সাহাবুল, ইব্রাহিম ও হৃদয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তারের জন্য ঢাকার সাভার, নোয়াখালীর সুধারাম ও বেগমগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আসিফ মহিউদ্দীন বলেন, হ্যাকিং চক্রের এই সক্রিয় সদস্যদের বিরুদ্ধে পূর্বের একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।