বগুড়ার আদমদীঘি সদরে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি আবির উদ্দিন খান ও অধ্যক্ষ শেখ সাদীর বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করণের নামে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে লাখ লাখ টাকা বানিজ্যের অভিযোগ সরজমিনে তদন্ত করে তার প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার টুকটুক তালুকদার। গত সোমবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তৌফিক আজিজকে এই তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়।  

জানাযায়, আদমদীঘি উপজেলা সদরে অবস্থিত ২০১৭ সালে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। আদমদীঘি সরকারি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ শেখ সাদী এবং প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবির উদ্দিন খান যৌথ ভাবে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২৫জন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেন। তিন মাসের মধ্যে এমপিওভুক্ত করার কথা বলে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক ও কর্মচারীদের নিকট থেকে লাখ লাখ টাকা আদায় করেন। প্রতিষ্ঠানটি ৫ বছর অতিক্রান্ত হলেও অদ্যবধি এমপিওভুক্ত হয়নি। এমনকি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কোন জায়গা জমি না কেনায় সরকারি রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত হয়নি। ফলে শিক্ষক কর্মচারীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগি শিক্ষকের অভিভাবক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালাম প্রতিষ্ঠানের সভাপতি আবির উদ্দিন খান ও অধ্যক্ষ শেখ সাদী বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় তার নিকট থেকে মোট ১৫ লাখ টাকা গ্রহন করেন বলে একটি লিখিত অভিযোগ সম্প্রতি আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহি অফিসারসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করেন। বিষয়টি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশ ও সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে ভাইরাল হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালামের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত সোমবার উপজেলা নির্বাহি অফিসার বিষয়টি সরজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দেন।

অভিযোগকারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালাম তদন্তের সময় প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিক্ষক, কর্মচারি ও তাদের অভিভাবকদের অংশ গ্রহন নিশ্চিত করার জন্য দাবী জানান।

আদমদীঘি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তৌফিক আজিজ উপজেল নির্বাহি অফিসারের দেয়া তদন্তেন নির্দেশ পত্র পাওয়া নিশ্চিত করেন।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024