দিনাজপুর পার্বতীপুর উপজেলা রেলষ্টেশনের পরিত্যাক্ত রেল লাইন গ্যাসের অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়ে কেটে নিয়ে যাবার সময় রেলের কাটা অংশসহ চারজনকে আটক করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
গত ৬সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টায় পার্বতীপুর রেলওয়ে ষ্টেশন সংলগ্ন বাফার গোডাউন থেকে ১৭টি রেললাইনের কাটা অংশ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক পর্যায়ে স্থানীয় একাধিক সুত্রমতে জানা যায় ঘটনাস্থল থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে।কিন্তু ঘটনার নেপথ্যে থাকা প্রকৃত আসামীদের আড়াল করতে আটককৃত চারজনকে মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।ফলে রেল লাইন কেটে নিয়ে যাবার প্রকৃত ঘটনা ও ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত খল নায়করা রয়ে গেলেন ধরা ছোয়ার বাইরে।তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক সুত্রের মতামত আটককৃতদের জবানবন্দি নিলেই বেরিয়ে আসবে এই সব অপরাধ কর্মকান্ডের মুল হোতা।
এছাড়াও আরো জানা যায় যে এক সময় বাফার সার সরবরাহের জন্য এই মিটার গ্রেজ লাইনটি নির্মিত হয়েছিল।কিন্তু সড়ক পথে যখন বাফার সার সরবরাহ শুরু হয় তারপর থেকে পার্বতীপুর রেলওয়ে ষ্টেশনের এই মিটার গ্রেজলাইনটি দীর্ঘদিন যাবৎ অব্যবহৃত হওয়ায় এক সময় পরিত্যাক্ত হিসেবে পরে থাকে।।আর এই সুযোগে রেলওয়ের পরিত্যাক্ত জায়গায় থাকা রেললাইনগুলো কতিপয় ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে সরিয়ে নিজেদের ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছিল।আর এমনই সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে রেলওয়ে থানা পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে বাফার গোডাউন থেকে রেল লাইনের কাট অংশ গ্যাস ও ২টিঅক্সিজেন সিলিন্ডার এবং এই কর্মকান্ডের সাথে জড়িত চারজনকে আটক করে জিআরপি থানায় নিয়ে যায়।বর্তমানে আটককৃতরা হলেন পার্বতীপুর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের কালিকাবাড়ী ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের ফেরদৌস(৩২),রামপুর ইউনিয়নের দরিখামাড় এলাকার মোঃ রাব্বি(২৭),একই এলাকার তরিকুল ইসলাম (২৮),ও পার্শ্ববর্তী সৈয়দপুর উপজেলার পুরাতন বাবুপাড়া এলাকার মোঃ ইমতিয়াজ (২৫)।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে পার্বতীপুর রেল ওয়ে থানার ওসি নুরুল ইসলাম জানান ঘটনাস্থল থেকে চুরির উদ্দেশ্যে কেটে রাখা রেল লাইন উদ্ধার করা হয় এবং এই ঘটনার সাথে জরিত সন্দেহভাজন চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।তবে রেল কর্তপক্ষ যদি চিহ্নিত অপরাধীদের নাম উল্লেখ করে মামলা করলে তাদের বিরুদ্ধেও দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রন করা হবে বলে তিনি প্রতিনিধিকে জানান।
তবে এই অপরাধ সংগঠন নেপথ্যে থাকা প্রকৃত অপরাধীরা আবারও ক্ষমতা আর অর্থের দাম্ভিকতায় বেচেঁ গেলো বলে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিবর্গ ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করেন।