সুনামগঞ্জে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে জনমনে ক্ষোভ ও মিশ্রপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি 


মোশারফ হোসেন লিটন সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃসুনামগঞ্জে সড়ক বিভাগে পুকুর চুরি কাজ না করেই ৪০কোটি টাকা আত্মসাত এই শিরোনামে গত ৩১অক্টোবর বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়,এমন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করায় জনমনে ক্ষোভ ও মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

প্রকাশিত সংবাদটি গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলের দৃষ্টিগোচর হলে,সংবাদটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়,প্রকাশিত সংবাদটি প্রথম অংশে উল্লেখ করা হয় ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী পরিকল্পনামন্ত্রী ও সুনামগঞ্জ-৩আসনের এমপি আলহাজ্ব এম এ মান্নানের বাড়ি এলাকায় কাজ না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল পরিশোধ করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ(সওজ)।বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কে বাধাগ্রস্ত করতে সংবাদে আরো উল্লেখ করা হয়েছে সিলেট -সুনামগঞ্জ সড়কের শান্তিগঞ্জ থেকে সুনামগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট পর্যন্ত পিএমপি কাজের ২৯কোটি ৯৫লাখ টাকার মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে ১৭কোটি ২৩লাখ টাকা।প্রকাশিত সংবাদের সুত্র ধরে ওই প্রতিবেদক সরেজমিনে তদন্ত এবং সড়ক ও জনপথ বিভাবে তথ্যমতে প্রকাশিত সংবাদের সাথে কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।সড়ক ও জনপথ বিভাগের তথ্যসূত্রে জানাযায় সিলেট -সুনামগঞ্জ সড়কের শান্তিগঞ্জ থেকে সুনামগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট পর্যন্ত পিএমপি কাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৬কোটি ৩৯টাকা।কিন্তু প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কে ১৭কোটি ২৩লাখ টাকা পরিশোধ করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ(সওজ)।এমন হাস্যকর  মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে এলাকার উন্নয়ন কাজে বাধাগ্রস্ত ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করায় স্থানীয় গণমাধ্যম এবং জনমনে ক্ষোভ ও মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানায় গণমাধ্যম হচ্ছে সমাজের আয়না আমরা তাদের মাধ্যমে এলাকার যাবতীয় সত্য খবরাখবর জানতে পারি।তারাই যদি এমন হাস্যকর মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে মিথ্যাচার করে। আমরা সত্য ঘটনা কি করে জানবো। তারা জানান এমন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে আমাদের এলাকার শুধু উন্নয়ন কাজে বাধাগ্রস্ত হয়নি বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নসহ গবমাধ্যরেও মান ক্ষুন্ন হয়েছে।আমরা এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

এ ব্যাপারে চিফ ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল জানান আমরা টিকাদারি প্রতিষ্ঠান কে বরাদ্দই দিয়েছি ৬কোটি ৩৯লক্ষ টাকা,কিন্তু সমকালসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত ২৯কোটি ৯৫লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে ১৭কোটি ২৩লক্ষ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।যেখানে বরাদ্দ ৬কোটি ৩৯লক্ষ সেখানে ১৭কোটি ২৩লক্ষ টাকা পরিশোধ করা যাবে।বিষয়টি সম্পুর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024