|
Date: 2023-11-12 04:16:51 |
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বাদশাগঞ্জ বাজারে দেয়াল উঠিয়ে ভূমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। সমাধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী আনোয়ার মিয়া ওরফে আনার মিয়া।
আনোয়ার মিয়া ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরস ইউনিয়নের উত্তর বীর গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযুক্ত সোনা মিয়া একই গ্রামের বাসিন্দা।
শনিবার রাতে বাদশাগঞ্জ বাজারে হাওর টিভি ২৪ এর অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, ধর্মপাশা উপজেলার বৌলাম মৌজাস্থিত আরএস খতিয়ানে নং ৪৯৯ নামজারী খতিয়ান নং ৭৪৬ দাগ নং ৭৯৮, পরিমান (০ ১৬৭)১ শতাংশ ৬৭ সহস্রাংশ ভিট রকম ভূমি খরিদ করা হয় ১৫-০৬-২০১৫ ইং সনে খরিদ করা হয়। পরে (০.১৬৬) এক শতাংশ ছেষট্টি সহস্রাংশ ভিট রকম ভূমি খরিদ করা হয় ১৬-০১-২০১৯ ইং সনে। উক্ত দুটি দলিলের মোট (০.০৩৩৩) তিন শতাংশ তেত্রিশ সহস্রাংশ ভূমির খরিদাসুত্রে মালিক আনোয়ার মিয়া ওরফে আনার মিয়া। উক্ত ভূমি দুটির অবস্থান বাদশাগঞ্জ বাজারে। উক্ত ভূমি নামখারিজ করে ঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছেন আনার মিয়া। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় আমার পাশ্ববর্তী জমির মালিক সোনামিয়া আমার খরিদা ভূমির ০.০০৮৩ একর ভূমি জোরপূর্বক জবরদখল করে রেখেছেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর বরাবর আবেদন করিলে সোনামিয়া অতিরিক্ত ০.০০৮৩ একর ভূমি জোরপূর্বক জবর দখল করে রেখেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়ের সার্ভেয়ার। এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সঠিক পরিমাপ করে সোনা মিয়ার দখলে থাকা অতিরিক্ত ০.০০৮৩ একর ভূমি আনার মিয়াকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। পরে রাতারাতি করে দেয়াল তৈরী করে পূণরায় উক্তভূমি দখলে নিয়ে সোনা মিয়া।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সোনা মিয়া বলেন, আমি আনার মিয়ার জায়গা দখল করে রাখিনি। আমি আমার জায়গায় ঘর নির্মাণ করে ব্যবস্যা করে আসছি। আমি জায়গা কিনেছি ১৯৯৬ ইং সালে, তখন থেকে পাকা ঘর করে ভোগ দখলে আছি। সে জায়গা কিনেছে ২০১৯ সালে, যার কাছথেকে কিনেছে সে বুঝিয়ে দিবে।
© Deshchitro 2024