রাজশাহীর বাঘায়  মেহেদী হাসান লিখনকে (২৬) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে এই হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটেছে। সে উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের কিশোরপুর গ্রামের সাদেক আলীর ছেলে। 

জানা যায়, উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের কিশোরপুর গ্রামের নিচে পদ্মার জলাশয়ে মাছ ছাড়ে মেহেদী হাসান  লিখনসহ তার পরিবার। একই গ্রামের বাচ্চু হোসেনের ছেলে নাসিফ হোসেন (৩৫) তা নিজের দাবি করে মাছ চাষে বাধা দেয়। এ নিয়ে  তাদের মধ্যে সোমবার কথা কাটাকাটি হয়। মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে বাড়ির পাশে দাড়িয়ে ছিল মেহেদি হাসান লিখন  । আগের দিনের জের ধরে  বাটাল দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে দায়িত্বরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

এ বিষয়ে মেহেদী হাসান লিখনের মা হাসেনা বেগম বলেন, আমার ছেলে ঢাকায় একটি বেসরকারি কম্পানিতে চাকরি করে। রোববার ছুটি নিয়ে বাড়ি এসেছে। আমার প্রতিবেশি বাচ্চুর ছেলে নাসিফ হোসেনের সাথে সোমবার দুপুরে পদ্মা নদীর ধারে কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে বাড়ির পাশে একা পেয়ে খেজুরের গাছ ঝোড়া বাটাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। 

এ বিষয়ে পাকুড়িয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বর ও কিশোরপুর গ্রামের আবদুর কাদের মোল্লা বলেন, পরস্পর তারা প্রতিবেশি।মেহেদী হাসান লিখনের কোন জমি নেই। সে পদ্মার পানি কমে যাওয়ায় কিছু জলাশয় হয়েছে। এতে কিছুদিন আগে মেহেদী হাসান লিখন মাছ ছেড়েছে। পদ্মার ধারে নাসিফ হোসেনের জমি দাবি করে জলাশয়ে মাছ চাষ করতে নিষেধ করে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে খেজুরের গাছ ঝোড়া বাটাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে।

এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি তদন্ত সবুজ রানা বলেন, খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে ক্কেসে  লাশ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসাপতাালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। #


প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024