ঘূর্ণিঝড় মিধিলির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে এলার্ট–৩ জারি করা হয়েছে । বন্ধ রয়েছে পণ্য  উঠা - নামার কাজ,  সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বন্দর জেটিতে থাকা  জাহাজগুলো।

আজ শুক্রবার ( ১৭ নভেম্বর)  সকাল ১১টায়  বন্দর ভবনে এক জরুরি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে
বলেন, জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় বন্দরের বিশেষ সর্তকতা জারি করা হয়েছে। এরই মধ্যে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে,  খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।  বন্দর চ্যানেলের সকল লাইটারেজ জাহাজ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বন্দ২রের বিভিন্ন জেটি থেকে ১২টি  জাহাজকে গভীর সমুদ্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার উপজেলাসমূহে গত বৃহস্পতিবার থেকেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। শুক্রবার সকাল থেকেই চট্টগ্রামের আকাশ পুরোপুরি মেঘাচ্ছন্ন হয়ে আছে। সূর্যের দেখা মেলেনি। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি অব্যাহত আছে।

জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মো. ফখরুজ্জামান বলেন, ঘূর্ণিঝড় মিধিলির মোকাবিলায় চট্টগ্রামে ৬০৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসন রাতে জরুরি সভা করে ঘূর্ণিঝড় মিধিলির সম্ভাব্য ক্ষতি মোকাবিলায় ২২ লাখ ৩০ হাজার টাকার পাশাপাশি ২৪৪ মেট্রিক টন চাল, ছয় লাখ ৮০ হাজার গো খাদ্য, ছয় লাখ ৮০ হাজার শিশু খাদ্য মজুত আছে। জেলা প্রশাসন একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে।





প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024