সেহরি খাওয়া সুন্নত। সেহরিতে রয়েছে বরকত ও কল্যাণ। ইয়াহুদি-খ্রিস্টানরাও রোজা পালন করত কিন্তু তারা ভোররাতে সেহরি গ্রহণ করত না। তাই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভোররাতে সেহরি খাওয়ার বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন। এ কারণেই সেহরি খাওয়া উম্মাহর জন্য সুন্নত।




সেহরি খাওয়ার পর রোজা রাখার জন্য যে নিয়ত করতে হয় তাই সেহরি বা রোজার দোয়া। দোয়াটি হলো-




সেহরি খাওয়া সুন্নত। সেহরিতে রয়েছে বরকত ও কল্যাণ। ইয়াহুদি-খ্রিস্টানরাও রোজা পালন করত কিন্তু তারা ভোররাতে সেহরি গ্রহণ করত না। তাই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভোররাতে সেহরি খাওয়ার বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন। এ কারণেই সেহরি খাওয়া উম্মাহর জন্য সুন্নত।


সেহরি খাওয়ার পর রোজা রাখার জন্য যে নিয়ত করতে হয় তাই সেহরি বা রোজার দোয়া। দোয়াটি হলো-


◾আরবি নিয়ত: ‘‘নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।’’


অর্থ: ‘‘হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়ত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোজা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।’’


বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত ও বরকতের ঘোষণায় ভোর রাতে সেহরি খাওয়া মুসলিম উম্মাহর জন্য জরুরি। আর সেহরি খাওয়ার পরই রোজার নিয়ত করতে হয়।‘‘নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।’’


অর্থ: ‘‘হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়ত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোজা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।’’


বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত ও বরকতের ঘোষণায় ভোর রাতে সেহরি খাওয়া মুসলিম উম্মাহর জন্য জরুরি। আর সেহরি খাওয়ার পরই রোজার নিয়ত করতে হয়।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024