নোয়াখালী সেনবাগ উপজেলার সেবারহাটে  সাধারনত গরুর মাংস স্বপ্নই পরিনিত হচ্ছে দিন দিন ক্রমাগত দিক থেকে বিবেচনা করলে বুঝা যায় সেবারহাট বাজারে  গরুর মাংসে  একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করে। তাদের জন্য মূলত দাম বাড়ে। সেবারহাট বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপজেলা প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। 


সেবারহাট মাংস ব্যবসায়ীদের অসাধু ব্যবসার  কারনে তারা এখন প্বার্শ বর্তী এলাকা পশ্চিমে  ছমির মুন্সিরহাট ও সেনবাগ রাস্তার মাথায় আর পূর্ব দিকে দাগনভূঞা  কিনতে যায়। সেবারহাট মাংসে পুরো চুরি বলেনা এইটা পুরো আস্তহা ডাকাতি বলে মনে করেন । নিম্ন শ্রেনির ব্যক্তি আছে যাদের সামর্থ্য নাই যে ৮৫০ থেকে ৯০০  টাকা দিয়ে ১ কেজি মাংস খাওয়া। কেননা আমরা বিশেষ করে এইবছর কুরবানের  আর সামনে কুরবানে গোশত খাই যদি কোনো জরুরি বিশেষ মেহমান আসে সেই ক্ষেত্রে   ১ কেজি মাংস কিনতে গেলে হাড় ছাড়া বলে তবে  টাকা নেয় তবে  তারা হাড় দিয়ে ভিতরে গোশতের পরিমান কম থাকায় তাদের ঘরে নিজের খাওয়াটা বাদ   মেহমানদারির মেহমান করা খুবই মুশকিল হয়ে যায়।  আমার মতো এইরকম হাজার ও গরিব আছে যারা এইভাবে প্রতিদিন তাদের চোবলে পড়ে  প্রতারিত হচ্ছে দেখার মতো আর কেউ নাই। জনসাধারন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা স্থানীয়  সাংবাদিকদের কে  বলেন, আমি এক কেজি গরুর মাংস ৮৫০ থেকে ৯০০ হাড় ছাড়া আর  হাড় সহ ৭৫০ টাকা এরা মাপে কম এবং গোশতে পরিমানে ক্রেতাদেরকে চোখে ধুলে দিয়ে  পকেট কাটার ব্যবসা শুরু করছে ? এসবই ভাঁওতাবাজি। ক্রেতার পকেট মারার ধান্ধা। এ সব থেকে ক্রেতাদের রক্ষার জন্য যেসব সরকারি সংস্থা কাজ করে তাদের নজরদারি বাড়াতে হবে। কোন পর্যায়ে কারসাজি হচ্ছে তা বের করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এতে অসাধুদের থাবা থেকে ভোক্তা সুরক্ষা পাবে।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024