ঈদের ছুটিতে বেড়াতে গিয়ে পদ্মায় ডুবে প্রাণ গেল রেলওয়ে প্রকৌশলী ও এক ব্যাংক কর্মকর্তার। এরা হলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রিয়াদ আহমেদ রাজু (৪৫) ও ব্যাংক কর্মকর্তা মোহাম্মদ জুয়েল (৪০)। ১২ এপ্রিল শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ঘটনাস্থলের অদূরে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা সম্পর্কে একে অপরের ভায়রা ছিলেন।

তবে এখানো নিখোঁজ রয়েছেন নিহত রিয়াদ আহমেদ রাজুর ছেলে রামিন আরিদ (১৬)। তাদের বাড়ি ঢাকার মোহাম্মদপুর সলিমুল্লাহ রোডে। নিখোঁজ রামিন রিয়ান ঢাকার এক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০ম শ্রেণির ছাত্র বলে জানা গেছে।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা জানায়, তারা টঙ্গীবাড়ি উপজেলার বেসনাল এলাকার তাদের স্বজন আলম মোল্লার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে ট্রলারে করে ৩০-৩৫ জন মিলে দিঘীরপাড় ইউনিয়নের ধানকোড়া এলাকায় পদ্মার শাখা নদীতে ঘুরতে বের হয়। এ সময় তারা বেশ কয়েকজন ট্রলার থেকে গোসল করতে নামে। গোসল করার এক পর্যায়ে রামিন আরিদ (১৬) নদীর স্রোতের তোড়ে ভেসে যেতে থাকলে তার বাবা ও খালু তাকে উদ্ধার করতে যান। এ সময় ওই দুইজনও ভেসে যান।

এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে মুন্সীগঞ্জ সদর ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের টিম ও নৌপুলিশ। পরে ঢাকার ডুবুরি দল উদ্ধার কাজে যোগ দেয়। টঙ্গীবাড়ি ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোস্তফা কামাল জানান, সংবাদ পেয়ে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। ঢাকা থেকে এরইমধ্যেই প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে একজন।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার চর আব্দুল্লাহ নৌ-ফাড়ির ইনচার্জ আবুল হাসনাত জানান, ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশের টিম উদ্ধার কাজ অব্যাহত রেখেছে।


প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024