|
Date: 2024-07-04 06:24:44 |
রাজবাড়ীর কালুখালীতে দিন পর দিন বেড়েই চলেছে অনলাইন জুয়ার আসক্তি খোয়া যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
কালুখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা ও রাত হলেই এর প্রবণতা লক্ষ করা যায়। স্কুল মাঠ, কলেজ মাঠ, চায়ের দোকান, রাস্তার পাশে খালি জায়গায় দোকান ব্যাবসায়ী কর্মচারী থেকে শুরু করে একশ্রেণীর তরুনরা এক সাথে মেতে ওঠেন জুয়া খেলায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাদেরই একজনের থেকে জানা য়ায়, এ মাসের বেতনের এক টাকাও পরিবারের জন্য খরচ করতে পারিনি। সব জুয়া খেলায় ব্যয় হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা য়ায়, প্রতিদিন সন্ধ্যা হলে সকল কাজ স্থগিত করে বাজারের ব্যবসায়ী দোকান কর্মচারী একশ্রেণীর তরুনরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছোটখাট জুয়ায় মেতে ওঠেন। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে আড্ডার স্থান সবজায়গায় চলে জুয়া নিয়ে মাতামাতি। এ্যাপসের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ায় বাজি ধরা হচ্ছে। যাদের বেশির ভাগই উঠতি বয়সী তরুণেরা। অনলাইন জুয়া নিয়ে অনুসন্ধানে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
কালুখালী বাজারে প্রাথমিক অনুসন্ধান ও একাধিক ব্যক্তির সাথে আলাপ করে জানা গেছে, লোভে পড়ে বিভিন্ন বয়সের মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও তরুণেরা এই জুয়ায় বেশি আসক্ত হচ্ছেন। এলাকা থেকে শুরু করে অলিতে গলিতে এই জুয়া বিস্তার লাভ করছে। তরুণদের অনেকেই কৌতূহলবশত এই খেলা শুরুর পরেই নেশায় পড়ে যাচ্ছেন। প্রথমে লাভবান হয়ে পরবর্তী সময় খোয়া যাচ্ছে হাজার হাজার টাকা।
অনলাইন জুয়ায় আসক্ত বেশির ভাগই স্কুল, কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ তরুণ প্রজন্ম, যা আমাদের জন্য একটি অশনিসংকেত। অনলাইনে বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে জুয়ার ফাঁদ পাতা হয়। লোভ দেখানো হয় একদিনেই লাখপতি হওয়ার। এসব ফাঁদে পা দিচ্ছেন উঠতি বয়সী তরুণ, বেকার যুবকেরা।
টাকার জন্য তারা স্বজন ও স্থানীয়দের কাছ থেকে ধার করছে। এ টাকা পরিশোধ করতে না পারায় পরিবারকে হেনস্তার মুখে পড়তে হচ্ছে। চুরির মতো অপরাধেও জড়াচ্ছে জুয়াড়িরা।
উল্লেখ্য, কালুখালীতে এর আগে অনলাইন জুয়ায় হেরে বিকাশ ব্যাবসায়ীকে হত্যা করার ঘটনাও ঘটেছে।
© Deshchitro 2024