অভিমান করলে উল্টো অভিমান করে বসে থাকতে নেই, জানো তো? জড়িয়ে ধরতে হয়, খুব শক্ত করে একদম বুকের সাথে মিশে। 


অভিমান করে যোগাযোগের সব রাস্তা বন্ধ রাখলেও খুঁজতে হয়। মানুষ অভিমান করে যোগাযোগের সব রাস্তাই বন্ধ করে না। একটা না একটা পথে ঠিকই খোলা রাখে, সে চায় যাতে হন্য হয়ে খুঁজে নিক তাকে। 


অভিমানে মুখ ফিরিয়ে নিলে খুব শক্ত করে দু গাল ধরে সোজা ঠোঁটে চুমু খেতে হয়। ঠোঁটে চুমু খেলে অভিমান থাকে না। 


এই যে এতশত অভিমানে সম্পর্কের মৃ ত্যু ঘটে, অথচ অভিমান ভাঙ্গালেই আদর বেড়ে যায়, সম্পর্ক টিকে যায়। একটু কষ্ট করে ইগো না দেখিয়ে অভিমান ভাঙ্গা যায় না? বলো....


হুটহাট অভিমানে দূরে থাকা ভীষণ যন্ত্রণার!


বুক ভারী হয়ে আসে, কোনোকিছু ভালো লাগে না, সারাক্ষণ বিষন্ন লাগে মন! 


অভিমান করলে উল্টো অভিমান করতে নেই। জড়িয়ে ধরতে হয় শক্ত করে, চুমু খেতে হয় দুঠোঁটে, মানুষটাকে বুঝতে হয়। ইগো টাকে বিসর্জন দিয়ে, মানুষটাকে আপন করে নিলে ক্ষতি কী?


অভিমান করলে কখনোই দূরত্ব বাড়াতে নেই। শরীরের কাছাকাছি থাকতে হয়। মনের গভীরে গিয়ে মানুষটাকে আদরে আদরে উন্মাদ করে দিতে হয়। এতটা ভালোবাসতে হয়, যতটা ভালোবাসা পাওয়ার ব্যাকুলতায় মানুষের মনে অভিমানের মেঘ জমে।।।।


লেখক : প্রণব মন্ডল, কবি এবং সাহিত্যিক।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024