পূর্ব তিমুরকে সদস্য করতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছেন দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জাতিপুঞ্জের (আসিয়ান) নেতারা। শুক্রবার (১১ নভেম্বর) আসিয়ানের চলমান দুই দিনব্যাপী শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম দিন এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।


আসিয়ানের সিদ্ধান্তকে তাৎক্ষণিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস-হোর্টা। তবে আসিয়ানের পূর্ণ সদস্য হতে দেশটির আরও কয়েক বছর লেগে যেতে পার বলে ধারণা করা হচ্ছে। 


আসিয়ানের বিবৃতির বরাতে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে শুক্রবার থেকে আসিয়ানের দুই দিনব্যাপী ৪০ ও ৪১তম শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়। প্রথম দিন তিমুর লেস্তেকে (পূর্ব তিমুর) নিজেদের ১১তম সদস্য করতে নীতিগতভাবে সম্মত হন আসিয়ানের নেতারা। এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশটি আসিয়ানের পূর্ণ পর্যবেক্ষকের মর্যাদা পাবে। দেশটির পরবর্তী পদক্ষেপ হলো, আসিয়ানের পরবর্তী শীর্ষ সম্মেলনে পূর্ণ সদস্য হওয়ার একটি রূপরেখা উপস্থাপন করা। 


আসিয়ানের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস-হোর্টা বলেন, ‘আসিয়ানের সদস্য হতে পারলে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের দুয়ার খোলে যাবে। এতে করে আসিয়ানের সদস্যদের পাশাপাশি অন্য দেশেরও বিনিয়োগ বাড়বে আমাদের দেশে। আমাদের নাগরিকদের ভ্রমণের সুবিধাও বাড়বে।’


১৯৯১ সালে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে পরিচালতি এক গণভোটের মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়া থেকে স্বাধীন হয় পূর্ব তিমুর। তিমুর দ্বীপের পূর্ব অংশ নিয়েই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এ নবীনতম দেশ গঠিত হয়। স্বাধীন হওয়ার পরপরই প্রাকৃতিক সম্পদসমৃদ্ধ দ্বীপরাষ্ট্রটি আসিয়ানের সদস্য হওয়ার কার্যক্রম শুরু করে। মাত্র ১৩ লাখ মানুষের এ দেশটি ২০১১ সালে আসিয়ানের সদস্য হতে আনুষ্ঠানিক আবেদন করে। 

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024