|
Date: 2024-09-30 05:59:16 |
'রামু হোক শান্তির, রামু হোক সম্প্রীতির''এই প্রতিপাদ্যে রামু উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রামু উপজেলার আয়োজনে শান্তি ও সম্প্রীতি র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকালে শান্তি ও সম্প্রীতি র্যালীটি রামু চৌমুহনী চত্বর হতে শুরু করে বাইপাস প্রদক্ষিণ করে রামু উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতা মইনুল ইসলাম জায়েদ বিন আমান এর পরিচালনায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমন কান্তি চৌধুরী, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিষ্টান সম্প্রীতি পরিষদের সভাপতি মাওলানা নুরুল হাকিম, সুবীর বাঞ্ছন চৌধুরী বাদল, বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতা বিপুল বড়ুয়া, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন রামু উপজেলার সভাপতি হাফেজ আহমদ, বিএনপি নেতা মেহেরাজ আহমদ মাহিন চৌধুুরী, মানবাধিকার সংগঠন সিইআরএডিএফ এর পরিচালক মো: ইলিয়াছ মিয়া, জামায়াত ইসলামি বাংলাদেশ রামু উপজেলার সভাপতি মাওলানা রফিক উল্লাহ, রামু উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর বাবু, মুৃফতি আবদুল আজিজ রজবী, নেজামে ইসলাম পার্টির নেতা হাফেজ আবুল মনজুর ও রামু বনিক সমবায় সমিতির সভাপতি রুহুল আমিন রকি।
এতে বক্তারা বলেন, রামু হচ্ছে শান্তি ও সম্প্রীতির শহর। ২০১২ সালে কুচক্রীমহল রামুর সম্প্রীতিতে আঘাত হেনেছে। আগামীতে এ ধরণের ন্যাক্কারজনক ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হওয়ার জন্য প্রশাসনকে সজাগ থাকার অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়াও ২০১২ সালে বৌদ্ধ মন্দিরে হামলার ঘটনায় মামলায় প্রকৃত আসামীদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়। কোন নিরহ জনসাধারণ যাতে হয়রানি না হয় তার জন্য মামলা পুনঃতদন্তের দাবী জানানো হয়। বক্তারা রাজনৈতিক সম্প্রীতি বজার রাখারও আহবান জানান।
উক্ত শান্তি ও সম্প্রীতি র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন রামুর বিভিন্ন ধর্ম,দল, মত,এবং নানা শ্রেণিপেশার নেত্রীবৃন্দ। রামুর সম্প্রীতি বজায় রাখতে হাতে হাত রেখে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ হন জনতা।
অন্যদিকে বিকাল ৩টার দিকে কক্সবাজার জেলা বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের আয়োজনে রামু ও উখিয়ায় বৌদ্ধ মন্দির ও বৌদ্ধ পল্লীতে হামলার ১ যুগ স্মরণ উপলক্ষে মৈত্রী ও শান্তি শোভাযাত্রা করেছে বৌদ্ধ ধর্মীয় জনতা। শোভাযাত্রাটি রামু সীমা মহাবিহার থেকে শুরু করে রামু বাইপাস প্রদক্ষিণ করে সীমা বিহারে এসে শেষ হয়।
© Deshchitro 2024