|
Date: 2024-10-11 11:28:58 |
প্রত্যেক পরিবারে ৫০ টি হাঁস লালন-পালন করলে ডিমের চাহিদা পূরণ হবে- জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
মোশারফ হোসেন লিটন সুনামগঞ্জ
ডিমে আছে পুষ্টি, ডিমে আছে শক্তি। আমরা সবাই ডিম খাবো।
ডিম হচ্ছে কমপ্লিটলি একটি পুষ্টিকর খাবার।
একটি ডিম থেকেই কিন্তু বাচ্চা হয়।
এই বাচ্চাটি তিনদিন পর্যন্ত ডিমের ভিতরে যে খাবার থাকে, সেই খাবারটুকু খেয়েই বাঁচে।
সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে হাঁস লালন-পালন করার অনেক ব্যবস্হা রয়েছে। প্রত্যেকটি পরিবার যদি কমপক্ষে ২০ থেকে ৫০ টি হাঁস লালন-পালন করে, তাহলে নিজের চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি আয় করারও সুযোগ আছে।
“ডিমে পুষ্টি ডিমে শক্তি, ডিমে আছে রোগ মুক্তি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ এবং ভেটেনারি হাসপাতাল এর উদ্যোগে বিশ্ব ডিম দিবস উদযাপন উপলক্ষে র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর ) সকাল সাড়ে দশটায় জেলা প্রাণী সম্পদ এর কার্যালয়ের সামনে থেকে প্রথমে একটি র্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষে ওই কার্যালয়ের হল রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শীর্ষক আলোচনা সভায় দিরাই উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এফ. এম. বাবরা হ্যামলিন'র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার'র প্রতিনিধি সদর মডেল থানার ওসি ( তদন্ত ) ওয়ালী আশরাফ খান। বিশ্ব ডিম দিবসের তাৎপর্য ও ডিমের উৎপাদন এবং ডিমের গুনাগুন বিষয়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. খালেদ সাইফুল্লাহ।
© Deshchitro 2024