সরোজ মিয়া একটি ছোট্ট শহরের বাসিন্দা। তার দিনগুলো ছিলো ক্লান্তিকর এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে ভরপুর। অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসে তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। একদিন তার জীবনে একটি বড় পরিবর্তন আসে যখন তিনি সিদ্ধান্ত নেন তার জীবনযাপন পদ্ধতি পরিবর্তন করবেন।


সরোজ মিয়া সবার আগে সুষম খাদ্যাভ্যাস গ্রহণ করেন। প্রতিদিনের খাবারে সবজি, ফল, প্রোটিন, এবং শর্করা সঠিক পরিমাণে অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি তার প্রিয় খাবার বেগুন ভাজি তৈরি করতে শিখে, এবং প্রতিদিন প্রচুর পানি পান করতে শুরু করেন। তার দেহ এখন আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী এবং সতেজ বোধ করে।


নিয়মিত ব্যায়াম করার সিদ্ধান্ত নেন সরোজ মিয়া। প্রতিদিন সকালে তিনি হাঁটতে বের হন। ৩০ মিনিট হাঁটার পর তিনি বাড়ি ফিরে যোগব্যায়াম করেন। এর ফলে তার দেহের ফিটনেস বৃদ্ধি পায় এবং মনও শান্ত থাকে। 


মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিতে শুরু করেন সরোজ মিয়া। তিনি প্রতিদিন একটু সময় মেডিটেশন করেন এবং তার প্রিয় বইগুলো পড়েন। তার মানসিক চাপ কমে আসে এবং জীবনের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হয়।


প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুমও সরোজ মিয়ার জীবনে আসে পরিবর্তন। তিনি রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর জন্য পরিকল্পনা করেন এবং এর ফলে তার দেহ পুনরুজ্জীবিত হয়।


সরোজ মিয়া সমাজের সাথে সংযোগ রাখতে এবং সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে শুরু করেন। তিনি স্থানীয় সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন এবং অনেক নতুন বন্ধু তৈরি করেন। এর ফলে তিনি নতুন উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা পান।


এখন সরোজ মিয়ার জীবন স্বাস্থ্যের দিক থেকে উন্নত এবং তিনি নিজেকে অনেক সুখী মনে করেন। স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গ্রহণের মাধ্যমে তিনি তার জীবনের মান উন্নত করেছেন এবং একটি সুখী ও সুস্থ জীবনযাপন করতে সক্ষম হয়েছেন। সরোজ মিয়ার গল্প আমাদের সবার জন্য একটি অনুপ্রেরণা এবং আমরা সকলেই তার মত সুস্থ ও সুখী জীবনযাপন করতে পারি।


লেখা : ইশরাত জাহান মনি

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ,

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। 

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024