সন্তানকে শিক্ষিত করতে গিয়ে অনেক অভিভাবক সন্তানকে সুশিক্ষা দিতে ভুলে যান, মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিতে ভুলে যান। যার ফলে তৈরি হয় শিক্ষিত অমানুষ।সন্তানকে অন্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে শেখান। একা বড় হওয়ার জন্য অনেক বেশি লজ্জা ভাব দেখা যায়। এটা দূর করানো অভিভাবকের কাজ। এমনটা না করা হলে সব ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়বে আপনার সন্তান। কারো সাথে দেখা হলে কিভাবে কথা শুরু করতে হবে সেই শিক্ষাটা দিন। আর বাকিটা সে নিজে থেকে শিখে নেবে।অন্যের কথা শোনার মানসিকতা তৈরি করুন। অনেক সন্তান প্রচুর কথা বলে তবে অন্যের কথা শুনেনা। সব সময় আলাপচারিতায় যে দুই পক্ষের হয়, তা শিক্ষা দিন।

ধন্যবাদ জ্ঞাপনের শিক্ষা দিন আপনার সন্তানকে। কেউ কিছু উপহার দিলে বা কোন কিছু সাহায্য করলে বা কোন উপকার করলে ধন্যবাদ বলতে বলুন। এই ভদ্রতা ছোট থেকে শেখা খুব দরকার।আজকাল সকলেরই ফোনের উপর ভরসা। তাই কারো খবর নিতে হবে কিংবা জরুরী কাজে সবার ভরসা মোবাইল। ফোনে কিভাবে কথা বলতে হয়, কেউ ফোন করলে কেমন করে উত্তর দিতে হয় কিংবা নিজে কোথাও ফোন করলে কিভাবে ফোনে কথা বলতে হয়, এই শিক্ষা দিন। এটাও ভদ্রতার মধ্যে পড়ে।মাসে দু বা একবার রেস্তোরা বন্ধু বা পরিজনের সাথে গেট টুগেদারের আয়োজন হয়ে থাকে। এমন জায়গায় কেমন আচরণ করা উচিত শিক্ষা দিন।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024