
ব্যক্তি কেন্দ্রিক সাংবাদিকতা না করে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা করতে হবে, আর সাংবাদিকতা করতে হলে অবশ্যই জিয়াউর রহমানকে জানতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন উত্তরাঞ্চলের প্রবীণ সাংবাদিক ও বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মহসীন আলী রাজু।
তিনি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিলেও গণমাধ্যমগুলোই বিএনপির সাথে বেইমানী করেছে। তারপরও বিএনপি কোনো আফসোস করেনি। এমকি ১৯৭৬ সালের ১২ আগষ্ট শহিদ জিয়ার নির্দেশেই বগুড়া সর্বাধিক প্রচলিত সংবাদপত্র দৈনিক করতোয়া প্রকাশের অনুমতি পেয়েছিল। পরবর্তীতে বিএনপি সরকার গঠনের পর খালেদা জিয়া টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের প্রকাশনা আইন চালু করেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সরকারি সাংবাদিক প্রথা প্রবর্তন করতে হবে, এটা সময়ের দাবী।
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে অনলাইন গণমাধ্যম কর্মীদের সমন্বয় বৈঠক ও পরিচিতি সভায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বিকালে সারিয়াকান্দি অনলাইন প্রেসক্লাবের আয়োজনে স্থানীয় পাবলিক লাইব্রেরি অ্যান্ড ক্লাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সারিয়াকান্দি অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি রহিদুর রহমান মিলনের সভাপতিত্বে উক্ত পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী এরফানুর রহমান রেন্টু।
সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ মিয়ার সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সারিয়াকান্দি থানা অফিসার ইনচার্জ জামিরুল ইসলাম, প্রবীণ সাংবাদিক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম মহাসচিব মির্জা সেলিম রেজা, পৌর বিএনপি'র সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম তুপুল ও লাল মাহমুদ লাল, সাংবাদিক রাকিবুল হাসান শান্ত, নূরনবী রহমান, আব্দুল ওয়াহেদ, জাফরুল সাদিক, সুমন সাহা, সামিউল ইসলাম সনি, হেদায়েতুল ইসলাম প্রমুখ।
উক্ত সভায় সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় অনলাইন প্রেসক্লাব বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মাকছুদ আলম হাওলাদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম দয়া।