সরকার পরিবর্তনের পর থেকে দুদক দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিগত সরকারের সময় যারা অবৈধ সম্পদ গড়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।


গত ছয় মাসে দেশে-বিদেশে ১০ হাজার ৩১০ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার ৩১০ কোটি টাকা দেশে ও ১৬৫ কোটি টাকা জব্দ করেছে।


বিগত সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী আনিসুল হক কিংবা জুনায়েদ আহমেদ পলক। একইভাবে ব্যাংক খাতে হাজার কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ থাকা এস আলম গ্রুপ কিংবা বিদেশে বিনিয়োগ থাকা বসুন্ধরা গ্রুপ। ইতোমধ্যে তাদের দেশে-বিদেশে থাকা সম্পদ জব্দ করছে দুদক।


বিগত সরকারের সময় সুবিধাভোগী এমন ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলার পাশাপাশি আদালতের মাধ্যমে সম্পদ জব্দের নির্দেশনা পাচ্ছে দুদক।


দুদকের গত ছয় মাসের তথ্য বলছে, ৭৪টি আদেশে দেশে থাকা স্থাবর-অস্থাবর ১০ হাজার ৩১০ কোটি টাকা ও বিদেশে থাকা ১৬৫ কোটি টাকার সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। যদিও বিদেশে থাকা সম্পদ জব্দ আদতে বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করেন দুদকের সাবেক মহাপরিচালক মঈদুল ইসলাম।


আক্তার হোসেন বলেন, দুদকের অনুসন্ধানে আক্তারুজ্জামানের ১৩ কোটি ৯৬ লাখ ১৬ হাজার ১৪১ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭৬ হাজার ৯৭৪ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ রয়েছে। এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলা করা হয়।


ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সাবেক কাউন্সিলর ৫৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আকাশ কুমার ভৌমিক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024