নেত্রকোণার দুর্গাপুরে এক বাবার বিরুদ্ধে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে স্বামীর নামে থানায় মামলা করেন। 

দুর্গাপুর পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি দুর্গাপুরের বাসিন্দা। ধর্ষণের বিষয়টি জানাজানির পর থেকে তিনি পলাতক।


মামলায় ভুক্তভোগীর মা উল্লেখ করেন, ১৫ বছর বয়সী মেয়েকে বাবা দীর্ঘদিন ধরে যৌন হয়রানি করে আসছেন। গত পাঁচ মাস আগে মেয়ের গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ধর্ষণ করেন। ওই দিনের পর একই রকম ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার মেয়েকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের বিষয়টি কারও কাছে বললে পরিবারের সবাইকে খুনের হুমকি দিতেন। ভয়ে বিষয়টি কাউকে বলেনি মেয়ে। সম্প্রতি মেয়ের শরীরে পরিবর্তন দেখা দেয়। তখন মেয়েটির বাবা স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান। পরে মেয়ের অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি জানতে পেরে কৌশলে ময়মনসিংহের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে সকলের অজান্তে গর্ভপাত ঘটান। এই ঘটনার পর আবারও ভুক্তভোগী মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার চেষ্টা চালায় তার বাবা। এই পর্যায়ে মেয়ে বিষয়টি তার বড় বোনকে জানায়। পরে বড় বোন পরিবারের অন্যদের কাছে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়।

এরপর ভুক্তভোগী মেয়েটির মা থানায় মামলা করেন। অভিযুক্ত স্বামীর বিচার দাবি করেন তিনি।


এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ওই বাবাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালাচ্ছে। 

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024