খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শনিবার রাতে মারা গেল নড়াইলে হাতুড়িপেটা প্রতিবন্ধী জুয়েল ভূইয়া।(১৮)। সে সদর উপজেলার বাসগ্রাম ইউনিয়নের কর্মচন্দ্রপুর গ্রামের পান্নু ভূইয়ার ছেলে।

এলাকাবাসির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গ্রামের সিকদার এবং ভূইয়া বংশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব সংঘাত চলে আসছে। বিষয়টি মীমাংশার জন্য প্রশাসনসহ এলাকার জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু এর সমাধান হয়নি। এরই জের ধরে ভূইয়া বংশের প্রতিবন্ধী ছেলেকে জাতুড়িপেটা করে মেরে ফেলা হলো। নিহত জুয়েল স্থানীয় নাকশি মাদ্রাসা বাজারের একটি কাচামাল দোকানের কর্মচারি হিসেবে কাজ করতো।




জুয়েলের চাচাতো ভাই আল আমিন জানান,গত সোমবার (৯ আগষ্ট) সকালে জুয়েল বাড়ি থেকে একটি ভ্যানে করে দোকানে যাচ্ছিল। বেদভিটা নামক স্থানে পৌছালে কর্মচন্দ্রপুর গ্রামের ইয়াছিন,ফিরোজ,হাফিজসহ ৬ জন যুবক তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে পাশের ভুট্রা ক্ষেতের মধ্যে ফেলে হাতুড়িপেটা করে পালিয়ে যায়।

এলাকার মানুষ তাকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নড়াইল সদর হাসপাতালে পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। খুলনায় তিন দিন চিকিৎসা নেবার পর শনিবার (১৩ আগষ্ট) রাতে মারা যায়।

এ ঘটনায় নিহতের চাচা মান্নান ভূইয়া বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় ইয়াছিন,ফিরোজ,হাফিজসহ ৫ জনকে আসামি করা হয়। ইতোমধ্যে পুলিশ আতিয়ার সিকদার নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

স্থানীয়রা জানান,ওই ভ্যানচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কারা এর সঙ্গে জড়িত আসল তথ্য বেরিয়ে আসবে।

সদর থানার ওসি (চলতি দায়িত্বে) মো, মাহামুদুর রহমান জানান,মামলার একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি চারজন আসামি াাদালতে হাজির হয়ে জামিনে আছে। 

 

 

 

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024