|
Date: 2025-07-13 10:05:20 |
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন শাখা ছাত্র ইউনিয়ন। শনিবার (১৪ জুলাই) শাখা ছাত্র ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
এক যৌথ বিবৃতি বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ইবি সংসদের সভাপতি মাহমুদুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক নূর আলম এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, (১২ জুলাই) বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে অর্থনীতি বিভাগের আন্তঃসেশন খেলাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের উপর নির্মম হামলা চালানো হয়; যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক পরিবেশ, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও সংস্কৃতির উপর সরাসরি আঘাত। বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, "আমরা গণমাধ্যম সূত্রে জানতে পেরেছি খেলাকে কেন্দ্র করে বিভাগের সিনিয়র ও জুনিয়রদের মধ্যে হাতাহাতির সময় সাংবাদিক আরিফ বিল্লাহ ভিডিও ধারণ করতে গেলে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী আফসানা পারভীন তিনা তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং দলবেঁধে অন্যরা সাংবাদিকদের মারধর শুরু করে। এতে নূর ই আলম, রবিউল আলমসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন। আশেপাশে থাকা শিক্ষার্থীরা ঠেকাতে গেলে তারাও হামলার শিকার হন। এছাড়া ঘটনার পর, হামলাকারীরা ঘটনার দিক পরিবর্তন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একজন নারী শিক্ষার্থীকে ভিকটিম সাজিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালায়, যার উদ্দেশ্য ছিল প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া।"
প্রসঙ্গত, আন্তঃসেশন খেলাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতির ভিডিও করতে গেলে তিন সাংবাদিককে মারধর করেন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ সময় এক সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। শনিবার (১২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্তরা হলেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের নাহিদ হাসান, সাব্বির, আফসানা পারভীন তিনা, মিনহাজ, সৌরভ দত্ত ও পান্না। একই বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের অজিল, সাইফুল, রাকিব, মশিউর রহমান রিয়ন ও হৃদয়সহ ১০-১৫ জন শিক্ষার্থী।
© Deshchitro 2024