|
Date: 2022-12-27 11:20:52 |
যশোরের অভয়নগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নওয়াপাড়া বাজারে ক্রতাদের দৃষ্টি কাড়ছে লোভনীয় সরিষা ফুলের শাক।
মাঠে মাঠে হলুদ বরণ চাদরে মোড়ানো সরিষা ফুলের সমারোহ মানুষের মনকে বিমোহিত করে তুলেছে,তেমনই বাজারেও ক্রতাদের দৃষ্টি কাড়ছে মজাদার সরিষা ফুলের শাক।
অভয়নগরের নওয়াপাড়া বাজারে দৃষ্টি পড়লো সরিষা ফুলের আঁটি হাতে জিয়ায়ুর রহমানের দিকে। আনন্দ চিত্তে সরিষা ফুলের শাক বিক্রয় করছেন উপজেলার কাদির পড়ার চাষি জিয়ায়ুর রহমান। তিনি গত তিন বছর যাবৎ সরিষার ফুল বিক্রয় করে আসছেন লাভজনক ভাবেই।
সরিষা চাষ করে ফসল তোলার আগেই সরিষার ফুল বিক্রয় করছেন জিয়াউর রহমান। তিনি এবার ১৬ কাঠা জমিতে সরিষা বুনেছেন। ক্ষেতের সরিষা গাছ ফুলে ফুলে ভরে গেছে। তবুও ফুলসহ গাছের ডগা কেটে বিক্রয় করছেন বজারে। এপর্যন্ত ৬ দিনে আটাশ শত টাকার সরিষা ফুল বিক্রয় করেছেন। এখনো ৩/৪ দিন বিক্রয় হবে বলে আশা করছেন।
এভাবেই তিনি সরিষা ফুল বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সরিষা বুনে থাকেন। এতে তিনি স্বাচ্ছন্দ মনে করেন। আগেই সরিষা ক্ষেত পরিস্কার হয়ে যাবে এবং আগেভাগেই ধান চাষ করতে পারবেন বলে জানান।
বাজারে সরিষা ফুলের ব্যপক চাহিদা রয়েছে। সরিষা ফুল বাজারে নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রয় হয়ে যায়।বিশেষ করে ব্যবসায়ীরা/ দোকানদারেরা আগ্রহভরে ক্রয় করে থাকে।
তাছাড়া সরিষা ফুলের সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করে। সরিষা ক্ষেত দেখলে মনে হয় প্রকৃতি যেন হলুদ চাদর বিছিয়ে রেখেছে মাটিতে। সরিষা বিভিন্ন খাবারের স্বাদ বাড়াতে ব্যবহৃত হয় মসলা হিসেবে। তমনই সরিষা ফুলের বড়া, ভর্তা, ভাজি খেতে বেশ মজাদার। একবার খেলেই মুখে লেগে থাকবে এর স্বাদ। সারাবছর অন্যান্ন শাকসবজিতো বাজারে পেয়েই থাকে এবং মানুষ খেয়েই থাকে। সরিষা ফুলতো আর সবসময় পাওয়া যায়না, তাই শীতের সময় অন্যান্ন শাকসবজির সাথে সরিষা ফুলের চাহিদা বেড়ে যায়, আগ্রহভরে বা শখের বসে সরিষা ফুলের মজাদার ভর্তা,ভাজি ও বড়া খাওয়ার প্রতি ঝুকে পড়ে।
© Deshchitro 2024