লাখাইয়ের আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ অটো রিক্সা এবং অপাপ্তবয়সের চালকদের দাপটে অতিষ্ঠ জনজীবন। লাখাইয়ের আঞ্চলিক সড়কে বেপরোয়াভাবে চলছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা,হবিগনজ থেকে লাখাই প্রধান সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম মানা হচ্ছে না। কখনো অলিগলি বা শাখা সড়ক থেকে হুট করে উঠে আসছে মূল সড়কে। আবার নিয়মের তোয়াক্কা না করে সড়ক ওপর দিয়ে পারাপার হচ্ছে রাস্তা। চলছে উল্টো পথেও। সব এলাকায় এখন অটোরিকশা চলাচলের এমন চিত্র নিত্যদিনের। মূল সড়কে অটোরিকশার বেপরোয়া চলাচলে বিপদে পড়ছে দ্রুতগতির যানবাহনগুলো। এতে প্রতিদিনই ছোটখাট দুর্ঘটনাও ঘটছে। ট্রাফিক ও কমিউনিটি পুলিশের তৎপরতা না থাকায় অটোরিকশার খামখেয়ালিপনা থামাতে পারছে না। মূল সড়কে অটোরিকশার বেপরোয়া চলাচলে বিপদে পড়ছে দ্রুতগতির যানবাহনগুলো। এতে প্রতিদিনই ছোটখাট দুর্ঘটনাও ঘটছে। ২৩ আগষ্ট (শনিবার) লাখাইয়ের বুল্লাবাজারের ব্রীজের পশ্চিম পার্শে বেপরোয়াভাবে টমটম গাড়ী চালাতে গিয়ে গুরুত আহত হন এক স্কুল ছাত্রী,ছাত্রী আহতের সম্পর্কে জানতে চাইলে টমটমের চালক শিপন মিয়া (১৬) বলেন,আমি সামনে একটি অটো রিক্সা দেখতে পাই, ব্যাক দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দিকে ধাক্কা লাগে, আমি নতুন শিখেছি , এজন্য বেশি কিছু বুঝিনা। লাখাইয়ের ঐতিহ্যবাহী বুল্লা বাজারে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মার্কেট ও খাবারের দোকান থাকায় এবং নির্ধারিত কোন গাড়ি পার্কিংয়ের স্থান না থাকায়, প্যাডেলচালিত ও ব্যাটারিচালক অটোরিকশার ভিড় লেগেই থাকে সবসময়। কখনো কখনো লেগে যায় যানজট। বুল্লাবাজারের চৌরাস্তার এই মোড়ে যাত্রীদের ভোগান্তির শেষ নেই। মোটরসাইকেল চালক আরমান হক বলেন, সবসময় উল্টো পথে আসে টমটম রিকশাগুলো। কোনো প্রকার সতর্কতা ছাড়াই শাখা সড়ক থেকে উঠে যায় মূল সড়কে। যেখানে সেখানে যাত্রী উঠাচ্ছে, নামাচ্ছে। মাঝেমধ্যেই মোটরসাইকেলের সঙ্গে এসব রিকশার দুর্ঘটনা ঘটছে। মূল সড়ক থেকে ধীরগতির যান তুলে দেওয়ার দাবি জানান তিনি। তবে অটোরিকশা চালকদের অনেকের দাবি, কিছু অনভিজ্ঞ চালক আছেন, যারা এ কাজগুলো করেন। তাদের কারণে অন্য চালকদেরও অভিযোগের মুখে পড়তে হয়। এসব চালকের কারণে সাধারণ চালকদের মোটর ও রিকশা ডাম্পিংয়ে দেওয়া হচ্ছে। সুরুজ মিয়া নামে এক টমটম যাত্রী বলেন,অনভিজ্ঞ ৫-৬ দিন হেলপারী করে নিজেই হয়ে যায় ড্রাইভার,আরও অল্প বয়সে, তাদের কাছ থেকে আমরা কি আশা করতে পারি?প্রশাসন যদি সঠিক ভূমিকা রাখতো, তাহলে এই ভোগান্তি থেকে আমরা বাঁচতে পারতাম। এ ব্যাপারে লাখাই উপজেলা কর্মকর্তা (ইউ, এন,ও) অনুপম দাসের সাথে মুটোফোনে ফোন করলে উনি ফোন রিসিভ করেননি, যার কারনে কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024