জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার দিঘীপাড়ায় এক প্রভাষক আরেক প্রভাষকের জমি দখল ও এসিল্যান্ডকে ঘিরে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী প্রভাষক কৃষ্ণপদ দেবনাথ। ২৫ আগস্ট (সোমবার) দুপুর ২টায় ক্ষেতলাল প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। জানাগেছে, প্রভাষক কৃষ্ণপদ দেবনাথের সাথে একই মহল্লার রণজিৎ দেবনাথ নামে আরেক প্রভাষকের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে আদালতে মামলা চলছিলো। এবিষয়ে বিজ্ঞ আদালত ক্ষেতলাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিন্নাতুল আরাকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। ওই প্রতিবেদন রণজিৎ দেবনাথের বিপক্ষে যাওয়ায় এসিল্যান্ড উৎকোচ নিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে এমন অভিযোগে ২৪ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করেন রণজিৎ। এবিষয়ে কৃষ্ণ চন্দ্র দেবনাথ ক্ষেতলাল প্রেসক্লাব কার্যালয়ে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে আমার পিতা ১৯৫৬ সালে ক্ষেতলাল মৌজায় ২১ শতক জমি ক্রয় করেন এবং অদ্যবধি পর্যন্ত সরকারি গেজেট ভুক্ত সকল কাগজপত্রদি আমার পিতার নামে প্রস্তুত হয়। একই গ্রামের রনজিৎ চন্দ্র দেবনাথ জোরপূর্বক ওই জমিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আমি আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। আদালতের নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিন্নাতুল আরা দু’দফা সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করে। কৃষ্ণপদ দেবনাথ আরো বলেন, প্রতিবেদনটিতে অসন্তুষ্ট হয়ে প্রতিপক্ষ রনজিৎ সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘুষের মিথ্যা অভিযোগ তোলে এবং ইউটিউবে অপপ্রচার চালায়। আমি এই ঘটনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানি হওয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। রণজিৎ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, এসিল্যান্ড তদন্তে এসে তার পাতানো লোকদের থেকে তথ্য নিয়েছে। আমি জানতে পেয়ে কাগজপত্র নিয়ে এসিল্যান্ড অফিসে গেলে তিনি বলেন “বাবা কাগজপত্র রেখে যান পরে দেখব।” এতে আমার অনুমান হয় অতিরিক্ত উৎকোচের বিনিময়ে বিজ্ঞ আদালতে একতরফা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তিনি।
প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024