|
Date: 2025-09-15 15:49:53 |
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। তবে গত বছরের তুলনায় এবছর ভালো ফলন হওয়ার আশাবাদী কৃষকরা। ভালো দাম পেলে কৃষকেরা লাভবান হবেন এমনটাই আশাবাদী তারা। উপজেলায় মাঠে মাঠে এখন সোনালী আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। যেন উৎসবমুখর পরিবেশে কৃষকরা মাঠে কাজ করছেন।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ধান কেটে ক্ষেতের জমিতেই মাড়াই করছেন কৃষকেরা।বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই ক্ষেতের মধ্যেই ধান মাড়াই, ধান শুকনো, খড় শুকনো ও ধান বাজারজাতসহ সকল কাজ সম্পাদন করছেন কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবছর এ উপজেলায় আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৯৭০ হেক্টর। এর মধ্যে হাইব্রিড ২ হাজার ৯৬৫ হেক্টর, রুপসী ১২ হাজার হেক্টর এবং স্থানীয় ৫ হেক্টর। গত বছর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৪ হাজার ৯৩৫ হেক্টর। যা গত বছরের চেয়ে ৩৫ হেক্টর বেশি। এবছর এখন পর্যন্ত ধান কর্তন করা হয়েছে ৭০ হেক্টর ।
উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের কৃষক আবু হানিফা বলেন, এবছর ৫ বিঘা জমিতে আমন ধান রোপণ করেছি। গত বছরের তুলনায় এবছর ভালো ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আশা করছি ভালো দাম পেলে লাভবান হবো।
নিতাই ইউপি'র কাছারীপাড়ার কৃষক আশরাফুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত দুই বিঘার ধান কর্তন করেছি। কিন্তু গত বছরের তুলনায় এবছর ফলন কম হওয়ায় মনে হয় লোকসান গুনতে হবে।কারণ প্রতি বিঘা জমিতে চাষাবাদে খরচ হয়েছে ১৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা। কিন্তু ভালো ফলন না হওয়ায় প্রতি বিঘায় ধান হচ্ছে ২০ থেকে ২২ মণ। তবে খড়ের দাম থাকায় খরচ বাদ দিলে এ বছর কিছুটা লাভের আশা করছেন তিনি।
উপজেলা কৃষি অফিসার লোকমান আলম বলেন, এবছর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৯৭০ হেক্টর। এখন পর্যন্ত ৭০ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। এই মাসের মধ্যেই প্রায় সব ধান কাটা হয়ে যাবে। দামও ভালো পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
© Deshchitro 2024