জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, নতুন বাংলাদেশে ক্ষমতায় গিয়ে যদি কেউ স্বৈরাচারী হয়। সেটা বাংলাদেশের মানুষ আর হতে দেবে না। এই নতুন বাংলাদেশে আর যেন ফ্যাসিবাদী কাঠামো না থাকে, যাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামোতে সংস্কার হয়, সেজন্য জাতীয় নাগরিক পার্টি সব থেকে জোরালো ভূমিকা পালন করেছে। এই বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামোতে এক ব্যক্তির আধিপত্য চলতো। এক ব্যক্তি যা চাইতো তাই হতো। এই বাংলাদেশকে জনগণের বাংলাদেশ করার জন্য ঐক্যমত্য কমিশনে জাতীয় নাগরিক পার্টি দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করে সংস্কারের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছে।

বর্তমান সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই সনদে আমাদের যতটুকু অর্জন সেই অর্জনকে কেউ যেন কোন শক্তির কারণে, কোন চাপের কারণে বাংলাদেশের জনগণকে এই অর্জনটুকু হারাতে না হয়। উত্তরবঙ্গের বাজেট নিয়ে আখতার হোসেন বলেন, যখন কোন বাজেট হয়, যখন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় তখন উত্তরবঙ্গকে বাদ দিয়ে যেকোন প্রকল্প পাস হয়ে যায়। আমরা দেখেছি উত্তরাঞ্চলের নেতারা, উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য তাদের ন্যায্য হিস্সা আদায় করতে পারে নাই।

শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে রংপুরের পীরগাছা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন স্বাধীনতা চত্ত্বরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে আখতার হোসেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী হিসেবে ঐতিহাসিক সফর শেষে দেশে ফেরায় তাকে গণসংবর্ধনা ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, এই আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মুসলমানদের উপর অত্যাচার করেছে। দাড়ি, টুপি রাখার কারণে জঙ্গি বলে (যারা জঙ্গি নয়) তাদেরকেও জেলের মধ্যে পঁচিয়ে মেরেছে। এই নতুন বাংলাদেশে ইসলামের উপরে কোন ধরনের বিদ্বেষ আমরা সহ্য করবো না। আমরা হিন্দু-মুসলমান পরস্পর সম্প্রীতিতে এই বাংলাদেশকে আমরা নতুন করে গঠন করবো। 

এর আগে উপজেলার নয় ইউনিয়ন থেকে তাদের দলীয় ব্যানারে সবার হাতে শাপলা প্রতীক নিয়ে বিশাল মিছিল নিয়ে শাপলা চত্ত্বরে জড়ো হতে থাকে। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা এনসিপির প্রধান সময়ন্বকারী আব্দুল্লা আল মামুন, যুগ্ম সমন্বয়কারী শরীফ উদ্দিন, বাবুল আখতার, এবিএম মিজানুর রহমান সানা, ইশরাত শারমিন মনি ও প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক ফারদিন এহসান মাহিমসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী।   

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024