‎ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী প্রত্যাবাসন ও উদ্বাস্তু পুনর্বাসন এবং অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু নির্ধারণ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের ১২তম সভা স্থগিত করা হয়েছে। অনিবার্য কারণবশত সভাটি স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়।


‎রোববার (১৯ অক্টোবর) জারি করা এক পত্রে টাস্কফোর্সের সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন স্বাক্ষরিত নোটিশে এ সভা স্থগিত করা হয়।


‎নোটিশে জানানো হয়, সভার পরবর্তী তারিখ ও সময় যথাসময়ে জানানো হবে।


‎আগামী ২২ অক্টোবর (বুধবার) বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান সুদত্ত চাকমার সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।


‎এদিকে আজ (১৯ অক্টোবর) রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের সভাও স্থগিত করা হয়। রাঙ্গামাটি সচেতন ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত বৃহস্পতিবার সভাটি স্থগিতের ঘোষণা আসে।


‎কমিশনের সচিব (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক পত্রে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে ভূমি কমিশনের সভা স্থগিতের কথা জানানো হয়।


‎এর আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক  পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুল মজিদ , যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফছার হোসেন রনি, মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমা আহমেদ মৌ, ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ শাহাদাত হোসেন কায়েস, খাগড়াছড়ি জেলা সভাপতি মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পার্বত্য ভূমি কমিশনের বৈঠক প্রতিহত করার ঘোষণা দেয় এবং সাত দফা দাবিতে ১৯ অক্টোবর খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও

‎পার্বত্য চট্টগ্রাম শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স এর সদস্য সচিব বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

‎স্বারকলিপি তুলে দেওয়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক (উপ-সচিব) নাজমুন আরা সুলতানা।


‎এদিকে  গুরুত্বপূর্ণ কমিশনের সভা স্থগিত হওয়াকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রামে নানা জল্পনা-কল্পনা সৃষ্টি হয়েছে।


‎অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধন) আইনে পার্বত্য বাঙালিদের কোনো প্রতিনিধি না থাকায় এ নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ বিরাজ করছে।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024