যশোরের যশ খেজুরের রস।  প্রচলিত বাক্যটির  ঐতিহ্য ধরে রাখতে যশোরের অভয়নগরে বিভিন্ন অঞ্চলের ছোট-বড় খেজুর বাগান অনেক অংশে  সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে বলে অনেকই মনে করেন। 


শীতের মৌসুমে গাছিরা অনেক কষ্ট করে খেজুরগাছ কেটে রস সংগ্রহ করে গুড় বা পাটালি বিক্রি করে উপার্জন করে আসছে। 

টাটকা রসের স্বাদ পেতে প্রচণ্ড শীত আর কুয়াশা উপেক্ষা করে ভোরবেলা খেজুর রস খাওয়ার জন্য অভয়নগর  উপজেলার  পুড়াখালী গ্রামের দক্ষিণ পূর্ব বিলে প্রতিদিনই ভিড় করছে মানুষ।

দুঃখ এবং পরিতাপের বিষয় হল-

 অত্র এলাকার খেজুর গাছগুলো মাঠে কিংবা রাস্তার পাশে খেজুর গাছ থাকায় রাতের আধারে মানুষ এসে রস খেয়ে যায়। রস নিয়ে চলে যাই, ঠিলে নিচেই ফেলে রেখে যায়, ভেঙে ফেলে, জমির ভিতরে ফেলে রেখে যায় যা সকলের ভিতরে একটা আতঙ্ক বিরাজ করছে। 

রস চুরি করে খেয়ে যা এ বিষয়ে অত্যন্ত আক্ষেপ ও দুঃখের সাথে গ্রামের বৃদ্ধ গাছি যোহর সর্দার  জানান, আমি বৃদ্ধ মানুষ কত কষ্ট করে শীত উপেক্ষা করে গাছ কাটি কুয়াশায় মধ্যে  সূর্য ওঠার আগে এসে গাছে উঠে রস সংগ্রহ করি। আর সকালে এসে দেখি রস চুরি করে নিয়ে গেছে তারপরও রসের ঠিলে ফেলে রেখে গেছে মাটিতে, জমির ভিতরে খুব কষ্ট লাগে এভাবে ক্ষতি করলে গাছ কাটা মানুষ ছেড়ে দিবে, আমরা মরে গেলে এরা এই সুস্বাদু সুমিষ্ট রস আর পাবে না। কেউ আর এই কষ্টের কাজ খেজুর গাছ কাটার লোক খুঁজে পাবে না। আরেক ভুক্তভোগী ওমর আলী জানান, আমার নিজের গাছ কেটে রস সংগ্রহ করে থাকি। দুঃখ এবং পরিতাপের বিষয় হল রস চুরি করে খাবি খা, গাছের ঠিলে গুলো ঠিকমতো গাছে পেতে রেখে যাক, তানা করে নিচেই ফেলে রেখে চলে যাবে এগুলো খুবই দুঃখজনক ব্যাপার, এর একটা প্রতিকার হওয়া দরকার। এছাড়াও সারা জমিনে দেখা যায় একগাছি ঠিলের ভিতর কচুর ডাটা ঢুকিয়ে রেখেছে, কারণ হিসেবে তিনি জানান যাতে করে রস চুরি করে না খাই, প্রতিকার হিসেবে এই ব্যবস্থা নিয়েছি, প্রায় স চুরি হয়, ঠিলে ফেলে রেখে যায়। এ ব্যাপারে স্থানীয় ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জনাব জাহাঙ্গীর চৌধুরী বলেন আসলে বৃদ্ধ  মানুষ গুলো  খুব কষ্ট করে শীত  উপেক্ষা করে খেজুর গাছ কেটে থাকে, কে বা কারা রাতে রস খেয়ে ঠিলে নিচে ফেলে রেখে বা সরিষা খেতে ফেলে রেখে চলে যায় এটা খুবই দুঃখজনক বিষয় এর একটা প্রতিকার করতে হবে এর জন্য সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024