আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে যশোরে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) যশোর সদর উপজেলার ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।শহরের আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত এই কর্মশালায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ার খুঁটিনাটি ও আইনি বাধ্যবাধকতা নিয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যশোরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার আশেক হাসান কর্মকর্তাদের উদ্দেশে কড়া বার্তা প্রদান করেন। তিনি বলেন, "নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কোনো প্রকার আপস করা হবে না।"তিনি প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের দায়িত্ব মনে করিয়ে দিয়ে বলেন: নির্বাচনকালীন আচরণবিধি অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। ভোট গণনার পর ফলাফল প্রেরণে শতভাগ নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে হবে। ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপার ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কর্মকর্তাদের করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ বাহিনী সর্বদা তৎপর থাকবে। তবে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।দিনব্যাপী এই নিবিড় প্রশিক্ষণে জেলা নির্বাচন অফিসার, কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সহ সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণ শেষে কর্মকর্তারা নির্বাচনী সরঞ্জাম ব্যবহার এবং ভোটগ্রহণের কারিগরি দিকগুলো নিয়ে সরাসরি প্রশ্নোত্তর পর্বেও অংশ নেন।প্রশাসনের এমন তৎপরতা সাধারণ ভোটারদের মাঝেও একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024