বরগুনার তালতলী উপজেলায় বিয়ের প্রলোভনে এনে এক নারীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার(৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে আসামি বিচারকের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে গতকাল বুধবার বিকেলে বরগুনার আমতলী উপজেলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব গ্রেপ্তারের পর রাতে আসামিকে তালতলী থানায় হস্তান্তর করে। 

ভুক্তভোগী নারীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর এলাকায় একটি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় কাজ করতেন ভুক্তভোগী নারী। সেখানে তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়লিয়া ইউনিয়নের মানিক হাওলাদারের ছেলে হিরুনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে হিরুন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিশ্বাস অর্জনের জন্য হিরুন একসময় ভুক্তভোগী নারী ও তার মাকে নিয়ে কুয়াকাটায় যান এবং বিয়ের বিষয়ে আলোচনা করেন। দ্রুত পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বিয়ে সম্পন্ন করবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি। ওই আশ্বাসে বিশ্বাস করে গত মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় হিরুনের সঙ্গে মহিপুর থেকে তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়লিয়া ইউনিয়নের বরপাড়া এলাকায় আসেন ভুক্তভোগী নারী।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, পরিবারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলে হিরুন তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্তু রাতের বেলা হিরুনসহ আরও তিন থেকে চারজন ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় তালতলী থানায় ৪ জনকে আসামী করে একটি ধর্ষণ মামলা করেন ভুক্তভোগীর পরিবার। পরে র‌্যাব বিভিন্নি স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামী হিরনকে গ্রেফতার করেন। 

এ বিষয়ে তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন,র‌্যাব প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। আমরা তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছি। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। 

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024