◾ আন্তর্জাতিক ডেস্ক 


গতবছরের ডিসেম্বরের পর হিমালয়ের পূর্বাঞ্চলে আবারো নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ভারত ও চীনের সেনারা। তবে সেবার কারও মৃত্যু হয়নি।


গোপন এক গবেষণাপত্রের অংশ হিসাবে অঞ্চলটির পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেছে। ২০ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের এক বার্ষিক সম্মেলনে এই মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। রয়টার্স এই প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করেছে।


এতে বলা হয়, সীমান্ত অঞ্চলগুলোতে স্থানীয় পুলিশের জোগাড় করা গোয়েন্দা তথ্য এবং কয়েক বছর ধরে ভারত-চীন সামরিক উত্তেজনার ধরনের ভিত্তিতে এই মূল্যায়নপত্র তৈরি করা হয়েছে।


চীনের সেনাবাহিনীর কথা উল্লেখ করে এতে বলা হয়েছে, “অভ্যন্তরীন চাপের মুখে… ওই অঞ্চলে চীন এবং তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থে, পিএলএ (পিপলস লিবারেশন আর্মি) সামরিক অবকাঠামো তৈরি করেই যাবে এবং সংঘাতও অহরহই ঘটবে।”


“আমরা সংঘাত এবং উত্তেজনার ধরন বিশ্লেষণ করলে বলা যায়, প্রতি দুই-তিন বছর অন্তর ঘন ঘন এমন পরিস্থিতি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা ২০১৩-২০১৪ সাল থেকেই বেড়েছে।”


চীনের অংশে পিএলএর ব্যাপক সামরিক অবকাঠামো তৈরির মধ্যে দুই দেশের সেনাবাহিনীই একে অপরের প্রতিক্রিয়া, গোলাবারুদের শক্তি এবং পদাতিক বাহিনী মোতায়েনের সময় পরীক্ষা করছে।


মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এও বলা হয়েছে যে, ভারত লাদাখে ধীরে ধীরে চীনের কাছে জমি হারাচ্ছে। লাদাখ সীমান্ত এলাকায় এ মুহূর্তে ভারতের নিরাপত্তারক্ষীরা বেকায়দায় আছে।


সীমান্তের প্রহরা চৌকিগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে ভারত। লাদাখ সীমান্তের একটি বড় অংশে এখন নিয়ন্ত্রণ নেই ভারতের। চিন সেই এলাকাগুলো পাহারা দিচ্ছে এবং এই পয়েন্টগুলি তাদের দখলে বলে দাবি করছে।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024