|
Date: 2026-03-14 21:08:28 |
অন্ধকার লাখাই বিদ্যুৎ বিহীন জনজীবন,১১ঘন্টা পর বিদ্যুৎতের দেখা আবার উধাও, বিভিন্ন মহলের ক্ষোভ।
লাখাইয়ে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং। লোডশেডিংয়ের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় রোজার মাসে প্রথমে বিদ্যুৎ থাকলেও গত কয়েকদিন ধরে অসহনীয় ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে স্থানীয়দের।
তারাবির নামাজ, সেহরি ও ইফতার– প্রতিনিয়ত চলছে লোডশেডিং। টেকনিক্যাল সমস্যা, ওভারলোড ও লো-ভোল্টেজ ছাড়াও রয়েছে ঘন ঘন ট্রিপ ও সোর্স লাইন রক্ষণাবেক্ষণের কাজ। শুধু তাই নয়, আকাশে মেঘ জমতে দেখলেই পালাচ্ছে বিদ্যুৎ। আবার বিদ্যৎ থাক বা না থাক মাস শেষে মোটা অঙ্কের বিল গুনতে হচ্ছে গ্রাহকদের। বিদ্যুৎ অফিসের প্রতিটি অভিযোগ নম্বর সবসময় ব্যস্ত। আবার অভিযোগ দিলেও কোনো কাজ হয় না।
শনিবার (১৪ই মার্চ) সারাদিন বিদ্যুৎ না থাকায় সমস্যা না হলেও সন্ধ্যার পর এলাকাজুড়ে অন্ধকার নেমে আসে। পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন লাখাই উপজেলাতে গ্রাহক পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং নিয়ে পড়েছেন মহাবিপাকে। বিদ্যুতের এ অবস্থায় ব্যবসা বাণিজ্যে মন্দাভাব দেখা দিয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে হাটবাজারের ব্যবসায়ীরা ঠিকমতো তাদের বেচাকেনা করতে পারছেন না।
ব্যবসায়ী মামুন মিয়া জানান,আজ শনিবার সারাদিন বিদ্যুৎ নাই ব্যবসা নাই,রাত ৯টা বাজে সারা এলাকা অন্ধকার,অন্যদিকে তো গরম, তার ওপর রমজান মাস। এমন সময় বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে নাকাল সবাই। বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলেই সেই পুরোনো ৩৩ কেভি লাইনের দোহাই দেওয়া হয়। তারা বলেন শাহজীবাজারে সমস্যা। এসব নিয়ে স্থানীয়রা বিশেষ করে মুসল্লিরা ক্ষুব্ধ।
এদিকে সারাদিন লোডশেডিংয়ের কারণে বাসাবাড়ির ফ্রিজ, টিভি, কম্পিউটার, ব্যবসায়ীদের ফটোস্ট্যাট মেশিনসহ বিভিন্ন দামি দামি জিনিসপত্র নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকার ফলে উপজেলাজুড়ে ইন্টারনেটের সেবাও বিঘ্নিত হচ্ছে। বিদ্যুৎ ঠিকমতো পাওয়া না গেলেও বিদ্যুতের বিল কিন্তু কমছে না।
বুল্লাবাজারের কাপড় ব্যবসায়ী মোজাম্মিল জানান, সারাদিন বিদ্যুৎ থাকে না; কিন্তু মাস শেষে মোটা বিল আসে। ঈদ সামনে রেখে বিদ্যুৎসেবার মান বাড়ানোর দাবি জানান তিনি। এ ব্যাপারে লাখাই পল্লী বিদ্যুতের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সুমন সাহার,মুটোফোনে ফোন করলে উনি ফোন রিসিভ করেনি যার কারনে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
© Deshchitro 2024