|
Date: 2026-03-20 21:30:37 |
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে আমরা সব সময় প্রবাসীদের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও সব সময় তাদের পাশে থাকব বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
শুক্রবার (২০ মার্চ) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত মোশাররফ হোসেনের মরদেহ গ্রহণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতাসহ সরকারিভাবে বিধি মোতাবেক যা প্রাপ্য হবে আমরা তা এ পরিবারকে প্রদান করব। সেইসঙ্গে নিহত মোশারফ হোসেনের দুই সন্তানের পড়ালেখার খরচ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বহন করবে বলে মন্ত্রী প্রেস ব্রিফিং এ জানান।
পরিবারটিকে আর্থিকভাবে যতটুকু সহযোগিতা করা প্রয়োজন তা সরকারের পক্ষ থেকে করা হবে বলেও জানান তিনি।
আরিফুল হক চৌধুরী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার সব সময় প্রবাসীদের পাশে রয়েছে এবং প্রবাসীদের পাশে থাকবে। যুদ্ধ পরিস্থিতি শেষে পুনরায় আবার যারা ফেরত যেতে চাইবে তাদেরকেও সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।
মন্ত্রী জানান, মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহতের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এছাড়া ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে।
বিমানবন্দরে উপস্থিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে সম্ভাব্য সব রকম আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
এ ছাড়া বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ‘সব প্রবাসীর পাশে আমরা আছি, আমাদের সরকার রয়েছে। এখন বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যেসব দেশে আমাদের প্রবাসীরা রয়েছে তাদের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচেষ্ট আছে, মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে সরকারি প্রত্যেকটি এজেন্সি সচেষ্ট আছে।’
তিনি বলেন, ‘যুদ্ধাবস্থায় আমাদের প্রথম প্রায়োরিটি হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশের নাগরিকদেরকে সুরক্ষিত রাখা। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। তাদের সুরক্ষিত রাখার জন্য আমাদের যা যা করণীয় সে ব্যপারে আমাদের মিশনগুলো স্ব স্ব দেশগুলোয় সক্রিয় আছে। আমাদের নাগরিকদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ আছে।’
প্রবাসীরা যেন যুদ্ধ অবস্থায় নিরাপত্তার সঙ্গে ভালোভাবে থাকতে পারে মিশনগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তা দেখছে বলে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানান।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা আশা করছি দ্রুতই যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটবে। বাংলাদেশ চায় যথা শিগগির যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটুক। কূটনীতি ও সংলাপের মধ্য দিয়ে এই সমস্যার সমাধান হোক।
© Deshchitro 2024