জামালপুরের বকশীগঞ্জে মাদক মামলায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন নেতাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এঘটনায় এদের মধ্যে মাত্র একজনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। 


যাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে তারা হলো, 

উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়া, ৪ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক নূর আলম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক তানজিদ জাহান বাবু।



আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বকশীগঞ্জ থানা-পুলিশ জামালপুর চিফ জুডিশিয়াল আদালতে  হাজির করলে, সংশ্লিষ্ট বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 


একইদিন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশিকুর রহমান তোলন এবং সদস্যসচিব শহিদুল হক দুলাল যৌথ স্বাক্ষরে মাদক কাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে শুধু মাসুম মিয়াকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।



বকশীগঞ্জ থানা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল আহমেদের নেতৃত্বে ইউনিয়নের কামালপুর এলাকা থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের ওই তিন নেতাকে আটক করা হয়। এসময় দেহ তল্লাশি করে তাদের কাছ থেকে নিষিদ্ধ ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে পুলিশ। এঘটনায় বকশীগঞ্জ থানায় তাদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে পুলিশ। ওই মামলায় তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। 


বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মকবুল হোসেন বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলায় তিন মাদক কারবারিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পুলিশী অভিযান অব্যাহত। 



উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশিকুর রহমান তোলন বলেন, মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে মাসুম মিয়াকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।


একই মাদক মামলায় ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক নূর আলম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক তানজিদ জাহান বাবু কারাগারে গেলেও তাদেরকে কেন দলীয পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়নি; এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'আপনি সুন্দর কথা বলেছেন। আগামীকালই ওই দুইজনকেও বহিষ্কার করা হবে।'


প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024