|
Date: 2026-07-05 02:19:06 |
মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া উপজেলার আকাশে প্রতিদিনই কালো মেঘের আনাগোনা থাকলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি। বর্ষার প্রথম মাস আষাঢ় প্রায় শেষের দিকে, অথচ পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দুই উপজেলার কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জমিতে প্রয়োজনীয় পানি না থাকায় গরু কিংবা ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ করা যাচ্ছে না। ফলে আমন ধানের আবাদ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বছরের এই সময়টিতে মাঠে ধান রোপণের ব্যস্ততা থাকার কথা থাকলেও অধিকাংশ জমি এখনো অনাবাদি পড়ে রয়েছে।
কৃষকদের ভাষ্য, কৃষিকাজই তাদের প্রধান জীবিকার উৎস। সারা বছরের খাদ্যের জোগান নিশ্চিত করতে তারা আমন ধানের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ছে।
লোহাগাড়ার এক কৃষক বলেন, “আষাঢ় প্রায় শেষ, কিন্তু এখনো কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি হয়নি। জমিতে পানি না থাকায় ট্রাক্টর নামাতে পারছি না। আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন রহমতের বৃষ্টি দান করেন। তাহলে ধান রোপণ করে শীত মৌসুমে ফসল ঘরে তুলতে পারব।”
এদিকে বৃষ্টির অভাবে ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। অনেকের মতে, বর্ষাকাল হলেও আবহাওয়া যেন চৈত্র মাসের দাবদাহের মতো। অতিরিক্ত গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন।
কৃষক ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, আল্লাহর রহমতে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি নেমে আসুক। তাহলে জমিতে চাষাবাদ শুরু হবে, কৃষকের মুখে ফিরবে স্বস্তির হাসি এবং প্রকৃতি ফিরে পাবে তার স্বাভাবিক রূপ।
© Deshchitro 2024