|
Date: 2026-08-01 11:15:39 |
মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার সন্তান ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষ এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নেতৃত্বের গুণাবলি নিয়ে একটি দীর্ঘ পোস্ট
দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, "সার্টিফিকেট আর প্রকৃত জ্ঞান এক নয়; সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ও হৃদয়ের ভাষা বুঝতে উচ্চ ডিগ্রির চেয়ে মাটির কাছাকাছি থাকা মন ও সহমর্মিতা বেশি প্রয়োজন।"
তার লেখায় তিনি উল্লেখ করেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শুধু একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নন; তিনি গ্রামের মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী, বিপদের বন্ধু ও অভিভাবক। তাই একজন জনপ্রতিনিধির ক্ষেত্রে শুধু উচ্চশিক্ষা বা বড় ডিগ্রির চেয়ে মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সহমর্মিতা এবং নেতৃত্বের মানবিক গুণাবলিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন বলেন, অতীতে অনেক চেয়ারম্যান ছিলেন, যাদের উচ্চশিক্ষার সনদ না থাকলেও সাধারণ মানুষের প্রতি তাদের ছিল গভীর ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ। তারা কৃষক, শ্রমিক, রিকশাচালকসহ গ্রামের সাধারণ মানুষের না বলা কষ্টও সহজেই বুঝতে পারতেন এবং তাদের পাশে দাঁড়াতেন।
তিনি আরও লেখেন, গ্রামবাংলার বিচার-শালিসে শুধু আইনের ধারা জানা যথেষ্ট নয়; সুবিচারের জন্য প্রয়োজন বিবেক, প্রজ্ঞা এবং মানবিকতা। একজন অভিজ্ঞ ও মাটির মানুষের সঙ্গে মিশে থাকা ব্যক্তি অনেক সময় মানুষের মন বুঝে এমনভাবে বিরোধ মীমাংসা করতে পারেন, যা শুধু বইয়ের জ্ঞান দিয়ে সম্ভব নয়।
স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মানুষের সঙ্গে হৃদয়ের সম্পর্ক গড়ে তোলা। সাধারণ মানুষ এমন নেতাকেই ভালোবাসে, যিনি তাদের ভাষায় কথা বলেন, তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন এবং তাদের অনুভূতি উপলব্ধি করতে পারেন।
সবশেষে অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন বলেন, "সার্টিফিকেট দিয়ে মানুষের মন মাপা যায় না। উচ্চ শিক্ষা বা বড় সার্টিফিকেট নয়, মানুষের প্রতি নিখাদ ভালোবাসা, মাটির প্রতি টান এবং মানুষের সঙ্গে মনের মেলবন্ধনই প্রকৃত নেতৃত্বের আসল অলংকার।"
© Deshchitro 2024