২০২৭সালের মধ্যে দেশের ১ কোটি ১০ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর খাবারের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন যে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝড়ে পড়ার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার, যাতে দেশে কোনো ঝরে পড়া শিশু আর না থাকে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা ও প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে এবং পুষ্টি নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। দিনাজপুর জেলার ৫টি উপজেলার (কাহারোল, ঘোড়াঘাট, বিরল, বিরামপুর ও বোচাগঞ্জ) ৩৬৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৬৮ হাজার ৭৬১ জন কোমলমতি শিক্ষার্থী এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে।
ম্যানেজিং কমিটি গঠনের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “ম্যানেজিং কমিটি কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়। স্কুলের এলাকার মানুষের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে এই কমিটি গঠন করা হবে, যাতে এলাকাবাসী বিদ্যালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে এর উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে পারেন। শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল মমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মিজ ইসরাত জাহান এবং দিনাজপুর পুলিশ সুপার জেদান আল মুসাসহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং সরাসরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকা গন।