|
Date: 2026-10-16 15:58:14 |
জাতীয় সম্পদ মা ইলিশ রক্ষায় শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পদ্মা নদীতে দিন-রাতব্যাপী যৌথ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে। অভিযানের সপ্তম দিনে পদ্মা নদীর বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট থেকে ১ লাখ ১০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিন থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত নড়িয়া উপজেলা প্রশাসন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড নড়িয়া স্টেশন, নড়িয়া থানা পুলিশ এবং সুরেশ্বর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে পদ্মা নদীর অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত সফিকাজির মোড়, চরআত্রার লেকু বেপারীর ঘাট, ঈশ্বরকাঠি, বাংলাবাজার ও সুরেশ্বরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব প্লাবন কুমার সাহা।
পুরো অভিযানটি শরীয়তপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব বিশ্বজিৎ দেব এবং নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ আব্দুল কাইয়ুম খানের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় সম্পন্ন হয়।
অভিযান চলাকালীন নদী থেকে ১ লাখ ১০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হলেও কোনো জেলে আটক বা নৌকা জব্দ করা হয়নি। পরবর্তীতে জব্দকৃত জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব বিশ্বজিৎ দেব বলেন, “মা ইলিশ প্রজনন মৌসুমে ডিম ছাড়ার সুযোগ দিতে সরকার নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা সবার নৈতিক দায়িত্ব। ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ, আর এটি রক্ষার দায়িত্ব আমাদের প্রত্যেকের। পদ্মা নদীর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে আমাদের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড, থানা পুলিশ ও নৌ-পুলিশের এই যৌথ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম প্রজনন মৌসুমজুড়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে।”
অভিযানে নড়িয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের টিমসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সদস্য উপস্থিত থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন।
© Deshchitro 2024